শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য বলেছেন, তাঁর হাতে যদি ‘আলাদিনের চেরাগ’ থাকত, তবে নারী শিক্ষার্থীদের আবাসন সংকট দূর করতে বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮ থেকে ১০টি ছাত্রী হল নির্মাণ করতেন।
রোববার (৫ জুলাই) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে লোকপ্রশাসন বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত নবীনবরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত আবাসিক সুবিধা না থাকায় তারা নানা ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। তাঁর ভাষায়, ছেলেরা প্রয়োজনে বাইরে থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারলেও মেয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ আবাসনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব। তবে বিশ্ববিদ্যালয় এখনো পুরোপুরি আবাসিক না হওয়ায় ইচ্ছা থাকলেও সব শিক্ষার্থীকে হলে আসন দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
তিনি জানান, শিক্ষকদের জন্য নির্মাণাধীন ১১ তলাবিশিষ্ট শিক্ষক কোয়ার্টারের কাজ শেষ হলে সেটি সাময়িকভাবে নারী শিক্ষার্থীদের আবাসনের জন্য ব্যবহার করা হবে। এতে প্রায় ৩০০ থেকে ৩৫০ জন শিক্ষার্থী থাকার সুযোগ পাবেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চতুর্থ ছাত্রী হলের নির্মাণকাজ সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত এ ব্যবস্থা বহাল থাকবে।
নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের শুরু থেকেই নিয়মিত পড়াশোনায় মনোযোগী হতে হবে। শিক্ষা অর্জনের পাশাপাশি দক্ষতা বৃদ্ধি করে ভবিষ্যতে চাকরি, উদ্যোক্তা কিংবা অন্যান্য পেশায় নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার প্রস্তুতি নিতে হবে।
অনুষ্ঠানে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফাতেমা খাতুন, বিভাগের সাবেক প্রধান ও সৈয়দ মুজতবা আলী হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আশরাফ সিদ্দিকী, শাহপরান হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইফতেখার আহমদ, কম্পিউটার ও ইনফরমেশন সেন্টারের পরিচালক অধ্যাপক ড. রেজোয়ান আহমেদসহ বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স