শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সবজির বাজারে ৬০ থেকে ১৬০ টাকা কেজি
বাজারে দেশি টমেটো প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৬০ টাকা এবং দেশি গাজর ১০০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পেঁপির দাম তুলনামূলক কম, প্রতি কেজি ২৫ থেকে ৩০ টাকা।
এ ছাড়া লম্বা বেগুন ৮০ টাকা, সাদা গোল বেগুন ১০০ টাকা, শিম ৮০ টাকা, শসা ৮০ থেকে ১২০ টাকা, করলা ৮০ থেকে ১০০ টাকা এবং কাকরোল ১০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ঢেঁড়স ১০০ টাকা, ধুন্দল ও ঝিঙা ৮০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা এবং মূলা ৬০ টাকা কেজি। আকারভেদে ফুলকপির দাম ৪০ থেকে ৮০ টাকা।
মুরগি-ডিমের দাম অপরিবর্তিত
বাজারে মুরগি ও ডিমের দাম আগের মতোই রয়েছে। প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকা, কক মুরগি ৩০০ থেকে ৩৩০ টাকা, লেয়ার মুরগি ৩২০ টাকা এবং দেশি মুরগি ৬২০ থেকে ৬৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
প্রতি ডজন লাল ডিমের দাম ১৩০ থেকে ১৪০ টাকা এবং সাদা ডিম ১৩০ টাকা। হাঁসের ডিম বিক্রি হচ্ছে ডজনপ্রতি ২০০ টাকায়।
মাছের বাজারেও চড়া দাম
বাজারে প্রতি কেজি রুই মাছ ৩০০ থেকে ৭০০ টাকা এবং কাতল ৩০০ থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাঁচকি মাছ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, কৈ ২২০ থেকে ২৫০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি দরে পাওয়া যাচ্ছে।
এ ছাড়া পাবদা মাছ ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা, শিং ৪০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং টেংরা মাছ ৬০০ থেকে ১ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।
পরিবহন খরচের অজুহাত বিক্রেতাদের
সবজি বিক্রেতাদের দাবি, শীতের সবজি বাজারে আসতে শুরু করলেও সব ধরনের পণ্যের সরবরাহ এখনো পর্যাপ্ত নয়। পাইকারি বাজার থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। এর সঙ্গে পরিবহন ও অন্যান্য খরচ যোগ হওয়ায় খুচরা বাজারে দাম কমানো যাচ্ছে না। পণ্যের মান ও সরবরাহের ওপরও দামের পার্থক্য নির্ভর করছে বলে জানান তাঁরা।
বাজার করতে আসা সাইফুল্লাহ বলেন, বেশির ভাগ সবজির দাম কেজিপ্রতি ৬০ টাকার বেশি। কিছু সবজির দাম আরও বেশি। মাছ, মুরগি ও ডিম কিনতেও উল্লেখযোগ্য অর্থ ব্যয় হচ্ছে। আয়ের সঙ্গে ব্যয়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে প্রয়োজন অনুযায়ী কেনাকাটা করাও কঠিন হয়ে পড়েছে।
শীতের সবজির সরবরাহ বাড়লেও খুচরা বাজারে তার সুফল না পাওয়ায় ক্রেতাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক