সিরাজগঞ্জে টুইষ্টিং মিলে নানা হয়রানী বন্ধে জেলা প্রশাসক এর সাথে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা করেন টুইষ্টিং মিল সুতা ব্যবসায়ী সমিতির নেতৃবৃন্দ।সোমবার (১৮ মে) বিকেলে জেলা প্রশাসক এর কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক( সার্বিক) গণপতি রায়,জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট সাইদুর রহমান বাচ্চু,চেম্বারের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী অমর কৃষ্ণ দাস, ভাইস প্রেসিডেন্ট লিটন সাহা, সিরাজগঞ্জ ইয়ান মার্চেন্ট এসোসিয়েশন এর সভাপতি আব্দুল হান্নান, সাধারণ সম্পাদক মেহেদী বোখারী, টুইষ্টিং মিল সুতা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি শরীফুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম খোকন প্রমূখ। এসময় টুইষ্টিং মিল সুতা ব্যবসায়ী মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, সিরাজগঞ্জ পৌরসভাসহ সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক কালার ও টুইষ্টিং মিল কারখানা রয়েছে সেখানে প্রায় ১০ হাজারের অধিক শ্রমিক কাজ করে তাদের পরিবার পরিজন নিয়ে অন্ন, বস্ত্র,শিক্ষা, চিকিৎসাসহ জীবিকা নির্বাহ করে আসছে। এই কারখানাগুলোর উপর প্রায় লক্ষাধিক মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। টুইষ্টিং মিলে কিছুটা শব্দ হলেও তা সহনীয় পর্যায়ে এবং কালার কারখানাগুলোতে কোন প্রকার এসিড,কস্টিক, হাইড্রোস, ছোডা জাতীয় কোন রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করা হয় না। এখানে শুধুমাত্র কম ক্ষতিকর রং স্টিমের সাহায্যে ব্যবহার করা হয় যা পরিবেশের জন্য তেমন ক্ষতিকর না। অথচ পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন এসে ইটিপি করার জন্য চাপ সৃষ্টি করছে যা অধিকাংশ কারখানা মালিকের পক্ষে ২৫থেকে ৩০ লাখ টাকা খরচ করে ইটিপি করার সামর্থ্য নেই। তাই সরকারের কাছে তাদের দাবী সরকারী অর্থায়নে সিরাজগঞ্জে একটি ইটিপি প্ল্যান স্থাপন করা, সরকারী খাস জমিতে কারখানাগুলো স্থানান্তরের ব্যবস্থা করা,পরিবেশ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের হয়রানী বন্ধ করা,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের নানা হয়রানী বন্ধসহ বেশ কিছু দাবি তুলে ধরেন। এসময় জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম সিরাজগঞ্জ টুইষ্টিং মিল ও সুতা মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দকে তাদের যৌক্তিক দাবিগুলো পূরনের আশ্বাস দেন।