দাউদকান্দির মাদক কেলেঙ্কারি: ওসির পর আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তা প্রত্যাহার
প্রথম দর্পণ, ডেস্ক||
প্রকাশিত: ২ জুলাই ২০২৬, দুপুর ২:৮ সময়
১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে বিক্রির অভিযোগ; তদন্তের স্বার্থে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপকুমিল্লার দাউদকান্দিতে আলোচিত মাদক কেলেঙ্কারির ঘটনায় থানার ওসির পর আরও দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে প্রত্যাহার (ক্লোজড) করা হয়েছে। প্রত্যাহার হওয়া কর্মকর্তারা হলেন থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ইমাম উদ্দিন এবং সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) হাফিজুর রহমান।বুধবার (১ জুলাই) দিবাগত রাতে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে তাদের প্রত্যাহারের আদেশ জারি হয়। বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) দুপুরে তারা কর্মস্থল ত্যাগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দাউদকান্দি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুল আলম।এর আগে একই ঘটনায় দাউদকান্দি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.এ. বারীকেও প্রত্যাহার করা হয়।জানা গেছে, গত ২৭ জুন শনিবার রাত প্রায় ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের দাউদকান্দি টোল প্লাজার আগে ফায়ার সার্ভিসের সামনে একটি কাভার্ডভ্যানে অভিযান চালিয়ে ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। ওই সময় নাইট ডিউটিতে ছিলেন এসআই মো. ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমান।অভিযোগ রয়েছে, উদ্ধার করা গাঁজা পরবর্তীতে তিনজন মাদক কারবারির কাছে ধাপে ধাপে বিক্রি করে দেওয়া হয়। পাশাপাশি কাভার্ডভ্যানটি ছেড়ে দেওয়ার বিনিময়ে ৩০ হাজার টাকা নেওয়ারও অভিযোগ উঠেছে।তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন প্রত্যাহার হওয়া দুই পুলিশ কর্মকর্তা।দাউদকান্দি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শামসুল আলম জানান, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে এসআই মো. ইমাম উদ্দিন ও এএসআই হাফিজুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হয়েছে এবং থানা থেকে তাদের ক্লোজড সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে।ঘটনাটি ঘিরে এলাকাজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত চলমান রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। তদন্ত শেষে দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।