শিবালয়ে নজরুলের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী উদ্যাপন, তেওতায় বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা কেন্দ্রের দাবিমানিকগঞ্জের শিবালয়ে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৭তম জন্মবার্ষিকী যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হয়েছে। কবির স্মৃতিবিজড়িত ও তাঁর সহধর্মিণী প্রমীলার জন্মভিটা তেওতা গ্রামে সোমবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির আয়োজন করে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন। এতে সহযোগিতা করে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।সকালে তেওতা জমিদার বাড়ি প্রাঙ্গণে কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও কবি পত্নী প্রমীলার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। পরে সকাল ১১টায় প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সাড়ে ১১টায় কুইজ প্রতিযোগিতা এবং দুপুর ১২টা থেকে ১টা পর্যন্ত নজরুল সংগীত ও কবিতা আবৃত্তির সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়।বিকেলে দ্বিতীয় পর্বে “দ্রোহের কবি, প্রাণের কবি নজরুল” শীর্ষক প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এরপর বিকাল সাড়ে ৪টা থেকে নজরুল সংগীত, কবিতা আবৃত্তি ও নাটকসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।জেলা প্রশাসনের আয়োজিত পুষ্পস্তবক অর্পণ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, নজরুল-প্রমীলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও জেলা কমিটির নেতৃবৃন্দ, নজরুলপ্রেমী সংগঠনের সদস্য এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অংশ নেন।আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন শিবালয় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিষা রাণী কর্মকার। এতে বক্তব্য দেন শিবালয় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম, তেওতা ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান, সামছুল হক মাস্টার, জাসাস সভাপতি আলী আশরাফ রাবুল, চিকিৎসক আতোয়ার রহমান, মইন বিশ্বাস, মতিউর রহমান, তেওতা একাডেমির প্রধান শিক্ষক মো. মোজাম্মেল হক, সাবেক সহকারী শিক্ষক অজয় কুমার চক্রবর্তী ও হাজী আব্দুর রাজ্জাকসহ অনেকে।কুইজ প্রতিযোগিতা পরিচালনা করেন তেওতা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন একই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শরৎ চন্দ্র হালদার ও কাজী আরিফ।অনুষ্ঠানে বক্তারা শিবালয়ের তেওতায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মৃতিবিজড়িত স্থানে নজরুল-প্রমীলা বিশ্ববিদ্যালয়, নজরুল গবেষণা কেন্দ্র এবং একটি আধুনিক মিউজিয়াম স্থাপনের দাবি জানান।