শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ভিত্তি সুদৃঢ় করা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক ধারার সূচনা করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।রোববার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘গণমাধ্যম ও শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। সভা শুরুর আগে অতিথিরা জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাজনৈতিক দর্শনভিত্তিক আলোকচিত্র এবং তথ্যসমৃদ্ধ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।মির্জা ফখরুল বলেন, জিয়াউর রহমানের জীবন, কর্ম ও রাষ্ট্রচিন্তা নিয়ে আরও ব্যাপক গবেষণা প্রয়োজন। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও রাষ্ট্রীয় বিকাশে তার অবদান বহুমাত্রিক। তিনি শুধু রাষ্ট্র পরিচালনাই করেননি, বরং জাতির সামনে একটি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক দর্শনও উপস্থাপন করেছিলেন।তিনি বলেন, জিয়াউর রহমানের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ প্রতিষ্ঠা এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়া। তার নেতৃত্বে দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের বিকাশ ঘটে এবং জনগণের রাজনৈতিক অংশগ্রহণের সুযোগ সম্প্রসারিত হয়।বিএনপি মহাসচিব আরও বলেন, জিয়াউর রহমান আরও এক দশক বেঁচে থাকলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে আরও অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারত। তার দূরদর্শী নেতৃত্ব ও রাষ্ট্র পরিচালনার দক্ষতা দেশের জন্য একটি শক্ত ভিত্তি তৈরি করেছিল।বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, একজন রাষ্ট্রনায়ক জনগণের আস্থা অর্জন করতে পারেন সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নীতির চর্চার মাধ্যমে। তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান স্বাধীন ও দায়িত্বশীল গণমাধ্যম বিকাশে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছিলেন এবং সংবাদপত্রের স্বাধীনতা রক্ষায় ইতিবাচক অবস্থান নিয়েছিলেন।আলোচনা সভায় বক্তারা জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্র গঠনে অবদান, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা এবং গণমাধ্যমবান্ধব কর্মকাণ্ডের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।