সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী চৈতালী চক্রবর্তীর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং আইনজীবী সনদ বাতিলের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনটির আমির শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরী এবং মহাসচিব সাজিদুর রহমান এ দাবি জানান।বিবৃতিতে হেফাজত নেতারা বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র। দেশের অখণ্ডতা, জাতীয় ঐক্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ক্ষুণ্ন করতে পারে—এমন যেকোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড উদ্বেগের বিষয়। তারা অভিযোগ করেন, চৈতালী চক্রবর্তীর সাম্প্রতিক বক্তব্য রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় সংহতির পরিপন্থী।হেফাজতের নেতারা আরও বলেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি বজায় রাখতে সাধারণ মানুষ ও ধর্মীয় নেতারা ভূমিকা রেখেছেন। এ পরিস্থিতিতে গাইবান্ধার পলাশবাড়ীতে ‘এশিয়ার সর্ববৃহৎ রামমূর্তি’ স্থাপনের উদ্যোগ এবং তা ঘিরে উদ্ভূত বিতর্ক স্থানীয়ভাবে উত্তেজনা সৃষ্টি করতে পারে বলে তারা আশঙ্কা প্রকাশ করেন।বিবৃতিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, চৈতালী চক্রবর্তীর বক্তব্যের বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বার কাউন্সিলকে তার আইনজীবী সনদের বিষয়ে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়।জাতীয় নিরাপত্তা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় সংশ্লিষ্ট গোয়েন্দা সংস্থাগুলোকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে পর্যবেক্ষণেরও আহ্বান জানায় সংগঠনটি। একই সঙ্গে পলাশবাড়ীতে সম্ভাব্য উত্তেজনা এড়াতে প্রশাসনকে সতর্ক ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়।উল্লেখ্য, চৈতালী চক্রবর্তীর একটি বক্তব্যকে ঘিরে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে বিভিন্ন মহল ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করছে।