সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংকের ঘোষিত কোনো প্রণোদনা প্যাকেজ বা নীতি সহায়তা পেতে হলে আবেদনকারীকে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক কিংবা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে দায়ের করা রিট পিটিশনসহ সব ধরনের মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। একই সঙ্গে হলফনামার মাধ্যমে ঘোষণা দিতে হবে যে, এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তার কোনো মামলা অনিষ্পন্ন নেই।বুধবার (২৯ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংক এ-সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করে এ নির্দেশনা দেয়।সার্কুলারে বলা হয়, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন এবং উৎপাদনশীল খাতে ঋণপ্রবাহ বাড়িয়ে বেসরকারি বিনিয়োগনির্ভর অর্থনীতি গড়ে তুলতে বাংলাদেশ ব্যাংক বিভিন্ন নীতি সহায়তা ও প্রণোদনা দিয়ে আসছে। এর আওতায় রপ্তানিমুখী বন্ধ শিল্পকারখানা পুনরায় চালু করা, কৃষি, সিএমএসএমইসহ বিভিন্ন খাতের ঋণগ্রহীতাদের জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, কিছু গ্রাহক একদিকে সরকারের ঘোষিত প্রণোদনা ও নীতি সহায়তার সুবিধা গ্রহণ করছেন, অন্যদিকে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে রিট পিটিশনসহ বিভিন্ন মামলা অব্যাহত রেখেছেন। এতে ব্যাংকিং খাতে মামলাজট বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং নীতি সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়নে জটিলতা সৃষ্টি হচ্ছে।এ পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ ব্যাংক নির্দেশ দিয়েছে, সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ঘোষিত যেকোনো প্রণোদনা প্যাকেজ কিংবা নীতি সহায়তা প্রদানের আগে সংশ্লিষ্ট আবেদনকারীর বিরুদ্ধে নয়, বরং আবেদনকারীর পক্ষ থেকে সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে হবে।এছাড়া আবেদনপত্রের সঙ্গে প্রত্যাহার করা মামলার তালিকা সংযুক্ত করতে হবে। একই সঙ্গে হলফনামার মাধ্যমে আবেদনকারীকে ঘোষণা দিতে হবে যে, সরকার, বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের বিরুদ্ধে তার কোনো মামলা বর্তমানে বিচারাধীন বা অনিষ্পন্ন নেই।