সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচার নিশ্চিতের আশ্বাস; মাদকের বিরুদ্ধে এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপরংপুরে চাঞ্চল্যকর চার খুনের ঘটনায় চার্জশিট দাখিল করে সুবিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে বলে জানিয়েছেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরপিএমপি) নতুন কমিশনার মাহবুবুর রশীদ।শুক্রবার দুপুরে নগরীর দাসপাড়ায় রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তীর বাড়ি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন পুলিশ কমিশনার।মাহবুবুর রশীদ বলেন, চাঞ্চল্যকর এই মামলার তদন্ত গুরুত্বের সঙ্গে করা হচ্ছে। চার্জশিট দাখিলের মাধ্যমে সুষ্ঠু তদন্ত ও সুবিচার নিশ্চিত করতে পুলিশ কাজ করছে।মাদক নিয়েও কথা বলেন নতুন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, মাদক শুধু রংপুরের সমস্যা নয়; এটি পুরো বাংলাদেশের একটি সামাজিক সমস্যা। মাদকের বিরুদ্ধে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে দৃশ্যমান পদক্ষেপ দেখা যাবে। সবার সহযোগিতা নিয়ে রংপুরকে শান্তি ও নিরাপত্তার শহর হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয়ও ব্যক্ত করেন তিনি।যেভাবে ঘটে চার হত্যাকাণ্ডএর আগে গত শনিবার রাতে নগরীর দাসপাড়ার ওই বাসা থেকে জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী জুয়েল, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী বালা, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রার্থী এবং পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছেলে আয়ুস চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।পুলিশের প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, চারজনকেই শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।এ ঘটনায় গণপতি চক্রবর্তীর বড় ভাই গোপীনাথ চক্রবর্তী বাদী হয়ে রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানায় হত্যা মামলা করেন। পরে মামলায় কানু দাসের ছেলে মুগ্ধ দাস ও বিনয় দাসের ছেলে সিদ্ধার্থ দাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও দ্রুত বিচার নিশ্চিতের আশ্বাস দিয়েছে পুলিশ।ঘটনাস্থল পরিদর্শনের সময় রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার নরেশ চাকমা, গোয়েন্দা (ডিবি) শাখার উপপুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী, রংপুর মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নাজমুল কাদিরসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।