সংসদে সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলমঢাকা-সিলেট মহাসড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ ২০২৯ সালের মাঝামাঝি শেষ করে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আশা করছে সরকার। ভূমি অধিগ্রহণ, ইউটিলিটি স্থানান্তর ও ভৌত কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়ায় নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পটি শেষ করার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের (জামায়াতে ইসলামী) সদস্য মাহফুজা হান্নানের (সংরক্ষিত নারী আসন-৪১) সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এ তথ্য জানান সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।মন্ত্রী বলেন, প্রকল্পের আগের সাড়ে চার বছরে মাত্র ১৮ শতাংশ ভূমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছিল। গত ছয় মাসে তা বেড়ে ৬৫ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে ভূমি অধিগ্রহণ শতভাগ সম্পন্ন হবে বলে আশা করা হচ্ছে।ইউটিলিটি সেবা স্থানান্তরের কাজেও আগে তেমন অগ্রগতি ছিল না জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমানে এ কাজে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। প্রকল্পের ভৌত কাজের অগ্রগতিও আগে প্রায় ১৩ শতাংশ ছিল। গত ছয় মাসে তা বেড়ে ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।শেখ রবিউল আলম বলেন, বর্তমানে প্রকল্পের ১৩টি প্যাকেজের আওতায় ভৌত কাজ চলছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ শেষ করার পাশাপাশি ভৌত কাজ দ্রুত এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। সব মিলিয়ে ২০২৯ সালের মাঝামাঝি প্রকল্পের কাজ শেষ করে মহাসড়কটি যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার আশা করা হচ্ছে।বেহাল অংশে জরুরি মেরামতবিদ্যমান ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কয়েকটি অংশের বেহাল অবস্থার বিষয়ে উদ্বেগের কথা স্বীকার করে মন্ত্রী বলেন, এসব অংশে জরুরি ভিত্তিতে মেরামত প্রয়োজন।তিনি জানান, মহাসড়ক উন্নয়নে একটি বড় প্রকল্প ইতোমধ্যে চলমান থাকায় মেরামত কাজের ব্যয় নির্ধারণে কিছুটা জটিলতা তৈরি হয়েছে। তবে মহাসড়কটির জাতীয় গুরুত্ব এবং ওই এলাকায় কয়েকটি দুর্ঘটনার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে সিলেট প্রান্ত থেকে প্রথম সাত কিলোমিটার দ্রুত মেরামতের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।মন্ত্রী বলেন, ওই অংশের মেরামতকাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। যান চলাচল স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।