জুলাই আন্দোলনের পরও দেশের বিভিন্ন স্থানে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ফ্যাসিবাদী শক্তি সক্রিয় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির মো. নূরুল ইসলাম বুলবুল। তিনি বলেছেন, এসব শক্তির কারণে বাংলাদেশ এখনো হুমকির মুখে রয়েছে। তাদের মোকাবিলায় সাংস্কৃতিক যোগ্যতা অর্জন করতে হবে।শনিবার রাতে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কচিকাঁচার মেলা মিলনায়তনে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত কেরাত ও হামদ-নাত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।নূরুল ইসলাম বুলবুল বলেন, চূড়ান্ত বিপ্লবের বিজয় অর্জনে সাংস্কৃতিক বিজয় অপরিহার্য। এ লক্ষ্য অর্জনে সবাইকে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।সুস্থ সংস্কৃতিচর্চায় গুরুত্বঅনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে শিল্পী সাইফুল্লাহ মানছুর বলেন, মানুষের সাংস্কৃতিক চাহিদা পূরণের ব্যবস্থা মহান আল্লাহ দিয়েছেন। তাই সুস্থ সংস্কৃতিচর্চা বজায় রাখা এবং তা কলুষিত হওয়া থেকে রক্ষা করা জরুরি।শিল্পী তাফাজ্জল হোসেন খান বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রশংসায় নাত রচনা ও পরিবেশনের ক্ষেত্রে শিরক থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন। অসচেতনতার কারণে কেউ যেন এমন বক্তব্য বা উপস্থাপনা না করেন, সে বিষয়ে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।কবি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন বিশিষ্ট গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব মাহবুব মুকুল। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. শামসুল আলম, অধ্যাপক ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, কবি ও সম্পাদক জাকির আবু জাফর, সমাজসেবক অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন এবং ড. মোবারক হোসাইন। এ ছাড়া বিভিন্ন সাহিত্য-সংস্কৃতিবিষয়ক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও শিল্পীরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।২২৪ প্রতিযোগী নিয়ে চূড়ান্ত পর্বআয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৩টি জোনের মাধ্যমে চারটি গ্রুপে কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বাছাই করে ২২৪ জনকে নিয়ে চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। কেরাত ও হামদ-নাত—দুই বিভাগে চারটি করে গ্রুপ থেকে মোট ৮০ জন প্রতিযোগী বিজয়ী হন।অনুষ্ঠান শেষে অতিথিরা বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন।