সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে ফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্নের আশঙ্কায় সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ। সৌদি আরবে সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইট পরিচালনাকারী এয়ারলাইনসগুলোকে যাত্রীদের তথ্য জানানো, খাবার ও প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়া এবং ফ্লাইটের সময়সূচি পরিবর্তনের ক্ষেত্রে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এস এম রাগীব সামাদ সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসগুলোর কাছে পাঠানো এক চিঠিতে এসব নির্দেশনা দেন।ফ্লাইটের পরিবর্তিত তথ্য জানাতে হবেনির্দেশনায় বলা হয়েছে, ফ্লাইট বিলম্ব, বাতিল কিংবা সময়সূচিতে পরিবর্তন হলে ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের এসএমএস, ফোনকল, ই-মেইল, এয়ারলাইনসের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে দ্রুত জানাতে হবে।একই সঙ্গে ফ্লাইটের সর্বশেষ অবস্থা, পরিবর্তিত যাত্রার সময়, পুনরায় টিকিট বুকিং, অর্থ ফেরত এবং প্রযোজ্য অন্যান্য ব্যবস্থা সম্পর্কে যাত্রীদের স্পষ্ট তথ্য দিতে হবে।ভিসা ও অভিবাসন-সংক্রান্ত সহায়তাভিসার মেয়াদ বাড়ানো কিংবা অভিবাসন-সংক্রান্ত সহায়তার প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসকে যাত্রীদের সৌদি কর্তৃপক্ষ, ঢাকায় অবস্থিত সৌদি দূতাবাস এবং প্রয়োজনীয় সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা করতে বলা হয়েছে।বিমানবন্দরে আটকে পড়া যাত্রীদের সেবা নিশ্চিতশাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবস্থানরত কিংবা পরিস্থিতি সম্পর্কে না জেনে বিমানবন্দরে আসা ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীদের প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বসার ব্যবস্থা, পানীয় জল, নাশতা, খাবার ও অন্যান্য প্রয়োজনীয় সেবা দিতে হবে।বিশেষ করে বয়স্ক ব্যক্তি, শিশু, প্রতিবন্ধী ও ঝুঁকিপূর্ণ যাত্রীদের প্রতি বাড়তি নজর দেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা নিয়োগের নির্দেশফ্লাইট পরিচালনায় বিঘ্নের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতি সমন্বয়ের জন্য প্রতিটি সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসকে অবিলম্বে একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নিয়োগ দিতে হবে। ওই কর্মকর্তার নাম, পদবি, মোবাইল নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানা দ্রুত বিমানবন্দরের ফ্লাইট ম্যানেজমেন্ট বিভাগকে জানাতে হবে। পরিস্থিতি চলাকালে তাঁকে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।যাত্রীদের অসহায় অবস্থায় রাখা যাবে নানির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, কোনো ক্ষতিগ্রস্ত যাত্রীকে অসহায় অবস্থায় ফেলে রাখা যাবে না। প্রত্যেক যাত্রীর সঙ্গে সহানুভূতিশীল আচরণ করতে হবে এবং পরিস্থিতি সম্পর্কে সঠিক ও পূর্ণাঙ্গ তথ্য দিয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করতে হবে।