তুরস্কের ১০৩তম প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধিদল।বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বনানীর হোটেল ঢাকার গ্র্যান্ড বলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশে নিযুক্ত তুরস্কের রাষ্ট্রদূত রমিস সেন অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত, হাইকমিশনার, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতা, অবসরপ্রাপ্ত সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।জামায়াতে ইসলামীর প্রতিনিধিদলে আরও ছিলেন দলের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা এটিএম মা’ছুম ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগরী উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন, বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম আরমান এমপি এবং পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য আলী আহমাদ মাবরুর।অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়েব এরদোয়ানের উদ্দেশে লেখা একটি শুভেচ্ছাবার্তা রাষ্ট্রদূত রমিস সেনের কাছে হস্তান্তর করেন।শুভেচ্ছাবার্তায় তুরস্কের প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষে দেশটির সরকার ও জনগণকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।এ সময় জামায়াতে ইসলামীর নেতারা আশা প্রকাশ করেন, এ ধরনের কূটনৈতিক ও সৌজন্য বিনিময়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, সৌহার্দ্য ও দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ভবিষ্যতে আরও সম্প্রসারিত হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন তাঁরা।