ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব কামাল হায়দার ওএসডি, সংযুক্ত কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ বিকাল
  • ৩৩৯২ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
http://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দার
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সচিব অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দারকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাঁকে কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে সংযুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার (২৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, আগামী ২৭ অক্টোবরের মধ্যে তাঁকে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হতে হবে। অন্যথায় ওই দিন বিকেল থেকে তিনি তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য হবেন।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালন

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ গত ১৮ মে অধ্যাপক এসএম কামাল উদ্দিন হায়দারকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের সচিব হিসেবে পদায়ন করেছিল। এর আগে তিনি একই বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করেন।

শিক্ষা ক্যাডারের ১৮তম ব্যাচের কর্মকর্তা কামাল হায়দার আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি সরকারি তিতুমীর কলেজেও পদায়ন পান। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন তিনি। পরবর্তী সময়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর তাঁকে বোর্ডের সচিব হিসেবে পদায়ন করা হয়।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি নিয়ে সমালোচনা

প্রতিবেদন অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দায়িত্ব পালনের সময় কামাল হায়দার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার প্রশংসা করে বিভিন্ন পোস্ট দিতেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তৎকালীন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ও মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ আওয়ামী লীগ সরকারের কয়েকজন মন্ত্রীর সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা ছিল বলেও সূত্রটি জানিয়েছে।

সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাঁর বিভিন্ন ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর শিক্ষা প্রশাসনে সমালোচনা তৈরি হয় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

তবে তাঁকে ওএসডি করার সরকারি প্রজ্ঞাপনে এ সিদ্ধান্তের কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়েছে কি না, তা প্রতিবেদনে স্পষ্ট করা হয়নি। ফলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি বা রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে ওঠা সমালোচনার সঙ্গে এই প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের সরাসরি সম্পর্ক নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad