ব্যক্তিগত নৈপুণ্যের স্বীকৃতি হিসেবে ২০২৬ সালের পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতেছেন ইংল্যান্ডের অধিনায়ক ও বায়ার্ন মিউনিখের স্ট্রাইকার হ্যারি কেইন। লামিনে ইয়ামাল ও কিলিয়ান এমবাপ্পেকে পেছনে ফেলে ফুটবলের মর্যাদাপূর্ণ এ পুরস্কার জিতেছেন তিনি। দৈনিক আমার দেশ-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে ব্রাজিলের কিংবদন্তি রোনালদো বিজয়ীর নাম ঘোষণা করেন।
২০০১ সালে মাইকেল ওয়েনের পর প্রথম ইংলিশ ফুটবলার হিসেবে পুরুষদের ব্যালন ডি’অর জিতলেন কেইন। সব মিলিয়ে পঞ্চম ইংরেজ হিসেবে এ সম্মান পেলেন ৩৩ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড।
এক মৌসুমে ৭৩ গোলপ্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৫–২৬ মৌসুমে ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে ৬৫ ম্যাচে ৭৩ গোল করেছেন কেইন। এর মধ্যে বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ৬১টি এবং ইংল্যান্ডের হয়ে ১২টি গোল করেন তিনি।
কেইনের গোলের ধারাবাহিকতায় বুন্দেসলিগার শিরোপা জেতে বায়ার্ন। দলটি জার্মানির ঘরোয়া কাপ ও সুপার কাপও জিতেছে। ইউরোপের শীর্ষ ক্লাব ফুটবলে মৌসুমের সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতিও পেয়েছেন ইংলিশ এই তারকা।
বিশ্বকাপেও উজ্জ্বল কেইনজাতীয় দলের জার্সিতেও দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখিয়েছেন কেইন। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপে ছয় গোল করে ইংল্যান্ডের তৃতীয় স্থান অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। ১৯৬৬ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর এটিই ইংল্যান্ডের সেরা বিশ্বকাপ সাফল্য।
ব্যালন ডি’অরের পাশাপাশি মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলদাতার স্বীকৃতিসূচক গের্ড মুলার ট্রফিও জিতেছেন কেইন।
আবেগাপ্লুত কেইনপুরস্কার গ্রহণের পর আবেগাপ্লুত কেইন বলেন, লন্ডনে এই আয়োজন হওয়ায় অর্জনটি তাঁর কাছে আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে। ভোট দেওয়া সবাইকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি প্রতিদ্বন্দ্বিতার কঠিন দিক তুলে ধরেন তিনি। এত ভালো খেলোয়াড়ের মধ্য থেকে সেরাকে বেছে নেওয়া বিচারকদের জন্য সহজ ছিল না বলেও মন্তব্য করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
মঞ্চে উপস্থিত অন্য খেলোয়াড়, পুরস্কারজয়ী ও মনোনীতদের অভিনন্দন জানিয়ে কেইন বলেন, জেদ, নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রম সাফল্যের পথ তৈরি করে দিতে পারে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স