মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) সকাল ১০টার দিকে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
জমি নিয়ে বিরোধ থেকে সংঘর্ষস্থানীয় ও পারিবারিক সূত্র জানায়, বাড়ির জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাসুদ রানার সঙ্গে তাঁর বড় ভাই সিদ্দিকের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার সকালে এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়।
এ সময় একই গ্রামে বসবাসকারী সিদ্দিকের শ্বশুর নূর আলী (৬০) ও চাচা শ্বশুর আখের আলী (৫৫) ঘটনাস্থলে আসেন। পরে তাঁদের সঙ্গেও মাসুদ রানার কথা-কাটাকাটি হয়।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে সিদ্দিকের স্ত্রী কাকলি (৩৫), মাসুদ রানার ছোট ভাইয়ের স্ত্রী সেতু (২৫), নূর আলী ও আখের আলী বাঁশের লাঠি ও গাছের ডাল দিয়ে মাসুদ রানাকে মারধর করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় তাঁকে রক্ষা করতে এগিয়ে এসে তাঁর স্ত্রীসহ আরও কয়েকজন আহত হন।
ফার্মেসিতে নেওয়ার পর মৃত্যু ঘোষণাপরে স্থানীয় লোকজন গুরুতর আহত মাসুদ রানাকে উদ্ধার করে নাঘোসা বাজারের একটি ফার্মেসিতে নিয়ে যান। সেখানে তাঁকে মৃত ঘোষণা করা হয় বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। ক্ষুব্ধ স্থানীয় লোকজন অভিযুক্তদের বাড়ি ঘেরাও করে কাকলি ও সেতুকে একটি কক্ষে আটকে রাখেন। খবর পেয়ে শালিখা থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই দুই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ পাঠানোশালিখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিকুর রহমান জানান, জমিজমা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই ভাইয়ের সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুই নারীকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার বিস্তারিত তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক