স্বজনদের সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন অন্তর হোসেন। রাত ১১টার দিকে কানে তীব্র ব্যথা অনুভব করে তার ঘুম ভেঙে যায়। ব্যথা না কমায় রাত ৩টার দিকে তাকে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসকেরা পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নিশ্চিত হন, তাকে সাপে দংশন করেছে।
পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্তরকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে মঙ্গলবার ভোর ৪টার দিকে হাসপাতালে পৌঁছানোর আগেই অ্যাম্বুলেন্সে তার মৃত্যু হয়।
অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পরও শিশুর মৃত্যুঅন্যদিকে, মরিয়ম খাতুন রাতে মায়ের সঙ্গে ঘুমিয়ে ছিল। মঙ্গলবার ভোরে ঘুম থেকে উঠে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে শৈলকূপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. এহেতেশাম শহীদ জানান, ভোরে মরিয়মকে মৃতপ্রায় অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে কালাচ সাপের কামড়ের দুটি ক্ষত পাওয়া যায়। তাকে অ্যান্টিভেনম দেওয়ার পরও চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
শৈলকূপা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ুন কবির মোল্লা দুইজনের সাপের কামড়ে মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহতদের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স