এআই-চালিত সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষায় ৫ করণীয়

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৫ দুপুর
  • ২৯৪৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
http://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg ছবি: সংগৃহীত
শক্তিশালী পাসওয়ার্ড, নিয়মিত আপডেট ও সন্দেহজনক লিংক এড়িয়ে চলার পরামর্শ

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সহায়তায় সফটওয়্যারের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত করা ও কাজে লাগানোর সক্ষমতা বাড়ছে সাইবার অপরাধীদের। বহুল ব্যবহৃত প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপিতে নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর এ নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে ব্যক্তিগত তথ্য, অনলাইন অ্যাকাউন্ট ও আর্থিক লেনদেন সুরক্ষিত রাখতে পাঁচটি বিষয়ে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

১. শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ও বহুধাপের যাচাইকরণ

প্রতিটি ওয়েবসাইট ও অনলাইন অ্যাকাউন্টে আলাদা, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। পাশাপাশি বহুধাপের পরিচয় যাচাইকরণ (এমএফএ) চালু রাখা জরুরি। সুবিধা থাকলে পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে পাসকি ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে অননুমোদিত প্রবেশের ঝুঁকি কমে।

২. যন্ত্রে স্বয়ংক্রিয় আপডেট চালু রাখুন

স্মার্টফোন, কম্পিউটার, রাউটারসহ ইন্টারনেট-সংযুক্ত যন্ত্রে স্বয়ংক্রিয় আপডেট চালু রাখা উচিত। নিরাপত্তা ত্রুটি সংশোধনে নির্মাতা বা সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান নতুন আপডেট প্রকাশ করলে দ্রুত তা ইনস্টল করতে হবে।

৩. অ্যাপ ও সফটওয়্যার হালনাগাদ করুন

শুধু অপারেটিং সিস্টেম নয়, ব্যবহৃত অ্যাপ, ডিজিটাল সেবা ও স্মার্ট হোম ডিভাইসের নিরাপত্তার দিকেও নজর দিতে হবে। যেসব যন্ত্রে নিয়মিত নিরাপত্তা আপডেট পাওয়া যায় না, সেগুলোর ঝুঁকি বিবেচনায় নিয়ে ব্যবহার ও নেটওয়ার্ক সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

৪. অপরিচিত লিংকে ক্লিক নয়

বড় ধরনের সাইবার হামলা বা নিরাপত্তা ত্রুটির খবর ছড়িয়ে পড়লে প্রতারকেরা ভুয়া বার্তা ও লিংকের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের ফাঁদে ফেলতে পারে। অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা বা পাসওয়ার্ড পরিবর্তনের নামে আসা অপরিচিত লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে। কোনো তথ্য যাচাইয়ের প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট বা অ্যাপে সরাসরি প্রবেশ করতে হবে।

৫. অনলাইন লেনদেনে বাড়তি সতর্কতা

অনলাইনে কেনাকাটা বা আর্থিক লেনদেনের সময় পরিচিত ও বিশ্বস্ত সেবা ব্যবহার করা উচিত। অপরিচিত বিক্রেতা কিংবা কম সুরক্ষিত ওয়েবসাইটে লেনদেনের আগে সতর্ক থাকতে হবে। বিভিন্ন সাইটে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা যাবে না। ব্যাংক বা আর্থিক অ্যাকাউন্টে সন্দেহজনক কার্যক্রম দেখা গেলে দ্রুত সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে।

ব্যবহারকারীর সতর্কতার পাশাপাশি প্রয়োজন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ

ব্যক্তিগত সতর্কতা সাইবার ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করলেও সব ধরনের হামলা ঠেকানোর নিশ্চয়তা দেয় না। সফটওয়্যারের নিরাপত্তা ত্রুটি দ্রুত সংশোধন, নিয়মিত হালনাগাদ এবং সিস্টেমে অননুমোদিত প্রবেশ ঘটেছে কি না, তা যাচাই করাও জরুরি। ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান—উভয় পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগেই অনলাইন নিরাপত্তা জোরদার করা সম্ভব।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad