ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতা আড়াল করা দ্বিগুণ ক্ষতিকর: সাইফুল্লাহ

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৬ দুপুর
  • ৭১৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
http://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নের নামে কোনো ধরনের সীমালঙ্ঘন গ্রহণযোগ্য নয় বলে মন্তব্য করেছেন রাজধানীর পল্লবীর মসজিদুল জুম’আ-এর খতিব আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ। তাঁর মতে, ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে নৈতিকতার মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন। অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত এবং অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

‘পিতার মতো’ পরিচয় সীমালঙ্ঘনের বৈধতা দেয় না

পোস্টে সাইফুল্লাহ লিখেছেন, শিক্ষার্থীর প্রতি শাসন, স্নেহ ও যত্নেরও নির্দিষ্ট সীমারেখা রয়েছে। বিশেষত ধর্মীয় শিক্ষকদের ক্ষেত্রে এ নৈতিকতার মানদণ্ড আরও কঠোর হওয়া উচিত। ‘পিতার মতো’ কিংবা ‘বড় ভাইয়ের মতো’ পরিচয় দিয়ে কোনো ধরনের সীমালঙ্ঘনকে বৈধতা দেওয়া যায় না।

তিনি বলেন, যিনি স্নেহ ও শাসনের সীমা বুঝতে পারেন না, শিক্ষকতার নৈতিক দায়িত্ব পালনের যোগ্যতা নিয়েই তাঁর প্রশ্নের মুখে পড়া উচিত।

অভিযোগে নিরপেক্ষ তদন্ত, প্রমাণিত হলে শাস্তি

সাইফুল্লাহর মতে, কোনো অভিযোগ উঠলে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অপরাধ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই পক্ষপাতদুষ্ট সিদ্ধান্ত নেওয়াও উচিত নয়। সত্য উদ্‌ঘাটন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাই মূল লক্ষ্য হওয়া প্রয়োজন।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে অনৈতিকতার ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে তিনি বলেন, এতে অপরাধের বিচার বাধাগ্রস্ত হয় এবং প্রতিষ্ঠানের গ্রহণযোগ্যতাও নষ্ট হয়।

ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানভেদে বদলাবে না ন্যায়বিচার

পোস্টে তিনি দ্বিমুখী নৈতিকতার সমালোচনা করে বলেন, নিজেদের অন্যায় আড়াল করে অন্যের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সরব হওয়া গ্রহণযোগ্য নয়। অন্যায়কে অন্যায় হিসেবে চিহ্নিত করতে না পারলে অন্যকে নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়ার যোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হয়।

সাইফুল্লাহ আরও বলেন, ব্যক্তি, পদ কিংবা প্রতিষ্ঠানভেদে ন্যায়বিচারের মানদণ্ড বদলাতে পারে না। সন্তানের নিরাপত্তার প্রশ্নে কোনো ছাড় দেওয়া উচিত নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

তথ্যসূত্র: আব্দুল হাই মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর ভেরিফায়েড ফেসবুক পোস্ট।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad