কেইনের জোড়া গোলে মৃত্যুকূপ থেকে ইংল্যান্ড, নাটকীয় প্রত্যাবর্তনে শেষ ষোলো নিশ্চিত

  • প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০২ জুলাই ২০২৬, ০৯:৩৫ সকাল
  • ৩০২২০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
http://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

বিশ্বকাপে টিকে থাকার লড়াইয়ে একসময় বিদায়ের মুখে দাঁড়িয়ে ছিল ইংল্যান্ড। ম্যাচের সপ্তম মিনিটেই পিছিয়ে পড়া দলটি দীর্ঘ সময় গোলশূন্য থেকে চরম চাপে ছিল। তবে অধিনায়ক হ্যারি কেইনের দুর্দান্ত জোড়া গোলে শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে ডিআর কঙ্গোকে হারিয়ে নাটকীয় জয় তুলে নিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে থ্রি লায়ন্স।

নকআউট পর্বের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ছিল ডিআর কঙ্গো। ম্যাচের সপ্তম মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে আসা নিখুঁত ক্রসে ব্রায়ান সিপেঙ্গা ফাঁকায় বল পেয়ে কাছ থেকে জালে পাঠান। গোলরক্ষক জর্ডান পিকফোর্ড বল ঠেকানোর সুযোগ পেলেও ব্যর্থ হন। শুরুতেই পিছিয়ে পড়ে চাপে পড়ে যায় ইংল্যান্ড।

গোল হজমের পর বলের দখল নিজেদের কাছে রাখলেও আক্রমণে ধার দেখাতে পারছিল না ইংল্যান্ড। জুড বেলিংহাম, বুকায়ো সাকা, মার্কাস রাশফোর্ড ও ফিল ফোডেন একাধিক সুযোগ তৈরি করলেও প্রতিবারই বাধা হয়ে দাঁড়ান কঙ্গোর গোলরক্ষক লিওনেল এমপাসি। তার একের পর এক দুর্দান্ত সেভে প্রথমার্ধে সমতায় ফিরতে পারেনি ইংলিশরা।

বিরতির পরও দীর্ঘ সময় একই চিত্র দেখা যায়। সময় যত গড়াচ্ছিল, ইংল্যান্ডের বিদায়ের শঙ্কা ততই ঘনীভূত হচ্ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন কোচ টমাস টুখেল। তার কৌশলগত পরিবর্তনে ইংল্যান্ডের আক্রমণে আসে নতুন গতি ও ধার।

৭৫তম মিনিটে অ্যান্থনি গর্ডনের দারুণ ক্রস থেকে হেডে গোল করে সমতা ফেরান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। এই গোলেই বদলে যায় ম্যাচের চিত্র। আত্মবিশ্বাস ফিরে পায় ইংল্যান্ড, আর চাপে পড়ে যায় কঙ্গো।

সমতার মাত্র ১১ মিনিট পর আবারও জ্বলে ওঠেন কেইন। গর্ডনের পাস থেকে বল নিয়ন্ত্রণে এনে বক্সের বাইরে থেকে ডান পায়ের শক্তিশালী শটে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি। কঙ্গোর গোলরক্ষকের কিছুই করার ছিল না। কেইনের দ্বিতীয় গোলেই ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড, যা শেষ পর্যন্ত জয় নিশ্চিত করে।

চলতি বিশ্বকাপে এটি হ্যারি কেইনের পঞ্চম গোল। একই সঙ্গে বিশ্বকাপে তার মোট গোলসংখ্যা দাঁড়াল ১৩-তে। তবে এই ম্যাচে তার অবদান শুধু পরিসংখ্যানে সীমাবদ্ধ নয়; দলের সবচেয়ে সংকটময় মুহূর্তে নেতৃত্ব দিয়ে জয় এনে দেওয়ার মধ্যেই ফুটে উঠেছে তার প্রকৃত অধিনায়কত্ব।

এই জয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে ইংল্যান্ড। একই সঙ্গে দলটি প্রমাণ করেছে, শেষ বাঁশি বাজার আগ পর্যন্ত তাদের হারিয়ে দেওয়া সহজ নয়। আর কোচ টমাস টুখেলও দেখিয়ে দিলেন, সঠিক সময়ে নেওয়া কৌশলগত সিদ্ধান্ত কখনো কখনো পুরো ম্যাচের ভাগ্য বদলে দিতে পারে।

বিশ্বকাপের ইতিহাসে অনেক স্মরণীয় প্রত্যাবর্তনের গল্প রয়েছে। ডিআর কঙ্গোর বিপক্ষে ইংল্যান্ডের এই লড়াকু জয়ও সেই তালিকায় জায়গা করে নেওয়ার মতো একটি অধ্যায় হয়ে থাকবে।

শিরোনাম, ভাষাশৈলী বা দৈর্ঘ্য জাতীয় দৈনিকের নির্দিষ্ট কোনো পত্রিকার স্টাইলে আরও মানিয়ে দিতে চাইলে সেটিও করে দিতে পারি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad