ডুবোচরে ৯ ঘণ্টা আটকে থাকার পর বাঁশবাড়িয়া ঘাটে ফেরি

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর
  • ১১৮৭০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
http://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
চট্টগ্রামের সন্দ্বীপ চ্যানেলের ডুবোচরে প্রায় দুই শতাধিক যাত্রী ও একটি অ্যাম্বুলেন্সে থাকা সংকটাপন্ন রোগী নিয়ে আটকে পড়া ‘ফেরি কপোতাক্ষ’ ৯ ঘণ্টা পর সীতাকুণ্ডের বাঁশবাড়িয়া ঘাটে পৌঁছেছে। জোয়ারের পানি বাড়ার পর বৃহস্পতিবার রাত ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফেরিটি চর থেকে মুক্ত হয়। পরে ভোর ৪টার দিকে নিরাপদে ঘাটে পৌঁছায় সেটি।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাট থেকে বাঁশবাড়িয়ার উদ্দেশে রওনা দেয় ফেরিটি। যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পর ভাটার সময় চ্যানেলে পলি জমে সৃষ্টি হওয়া ডুবোচরে আটকে যায়। এতে নারী ও শিশুসহ শতাধিক যাত্রী দুর্ভোগে পড়েন। ফেরিতে পর্যাপ্ত খাবার ও সুপেয় পানির ব্যবস্থা না থাকায় দীর্ঘ সময় তাদের সংকটের মধ্যে থাকতে হয়। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে ছিলেন অ্যাম্বুলেন্সে থাকা মুমূর্ষু রোগী।

খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে যান সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আমজাদ হোসেন। তিনি পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন। পরে স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তফা কামাল পাশা ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের উদ্যোগে ট্রলারে করে আটকে পড়া যাত্রীদের জন্য রান্না করা খাবার ও সুপেয় পানি পাঠানো হয়।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) উপপরিচালক ও পোর্ট অফিসার নয়ন শীল জানান, ফেরিতে জরুরি রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স থাকায় নাব্যতা কিছুটা কম থাকা সত্ত্বেও সেটি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। পরে জোয়ারের পানি বাড়লে ফেরিটি ডুবোচর থেকে মুক্ত হয়।

দীর্ঘ সময় আটকে থাকার পর ফেরিটি নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছালেও চ্যানেলের নাব্যতা ও যাত্রীসেবার ঘাটতি নিয়ে ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad