শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দুপুর ২টা থেকে শনিবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিফাত আরা মৌরীর স্বাক্ষরিত আদেশে গালুয়া বাজার ও সংলগ্ন এলাকায় সমাবেশের উদ্দেশ্যে প্রবেশ, মাইক বা শব্দবর্ধক যন্ত্রের ব্যবহার এবং নির্ধারিত এলাকার মধ্যে পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তির একত্রে চলাচল, সমাবেশ, মিছিল ও সভা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আদেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়েছে।
প্রস্তাব ঘিরে পক্ষে-বিপক্ষে কর্মসূচিস্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের একটি ডিও লেটারে রাজাপুর পৌরসভা গঠন এবং গালুয়া ইউনিয়নকে বিভক্ত করে দুটি ইউনিয়ন করার প্রস্তাবের বিষয়টি উল্লেখ রয়েছে। এ প্রস্তাব সামনে আসার পর স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে পক্ষে-বিপক্ষে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
গালুয়া ইউনিয়নের অখণ্ডতা রক্ষার দাবিতে শুক্রবার বিকেল ৪টায় গালুয়া বাজারে মানববন্ধনের ঘোষণা দেয় একটি পক্ষ। কর্মসূচির প্রচারপত্রে ইউনিয়ন বিভক্তির উদ্যোগ বাতিল, প্রশাসনিক সেবার মানোন্নয়ন, জননিরাপত্তার স্বার্থে প্রয়োজনে পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন এবং গালুয়াকে একটি মডেল ইউনিয়ন হিসেবে গড়ে তোলার দাবি জানানো হয়।
অন্যদিকে, বৃহত্তর পুটিয়াখালীকে ৭ নম্বর ইউনিয়ন ঘোষণার দাবিতে একই দিন বেলা ৩টায় গালুয়া ইউনিয়ন পরিষদের সামনে পৃথক মানববন্ধনের ঘোষণা দেওয়া হয়। বৃহত্তর পুটিয়াখালীর সর্বস্তরের জনগণের ব্যানারে এ কর্মসূচি আয়োজনের কথা জানানো হয়।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশরাজাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. ফিরোজ কামাল বলেন, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
রাজাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম রেজা সজীব বলেন, গালুয়া ইউনিয়নকে বিভক্ত করে দুটি ইউনিয়ন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে একই এলাকায় পক্ষে-বিপক্ষে দুটি পক্ষ মানববন্ধনের কর্মসূচি দিয়েছে। মানববন্ধনে প্রশাসনের কোনো বাধা নেই। তবে একই স্থানে দুই পক্ষের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক