সকাল ৮টা থেকে আসনটির ১৮৫টি ভোটকেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিরতিহীনভাবে চলে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ঠাকুরগাঁও সদর, রুহিয়া ও ভুল্লী নিয়ে গঠিত এ আসনে মোট ভোটার ৫ লাখ ১৬ হাজার ১৪০ জন।
নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীকে মির্জা ফয়সল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে দেলাওয়ার হোসেন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের বটগাছ প্রতীকে মো. আব্দুল আলীম নিজামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের হাতপাখা প্রতীকে মো. খাদেমুল ইসলাম এবং বাংলাদেশ কংগ্রেসের ডাব প্রতীকে হুসাইন মুহাম্মদ ওমর ফারুক প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েননির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়া হয়। দায়িত্ব পালন করেন বিজিবির ২১ প্লাটুন সদস্য, স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নের (এসআরবি) ২৫১ সদস্য, পুলিশের ২ হাজার ২৭২ সদস্য এবং আনসার বাহিনীর ২ হাজার ৪৬৫ সদস্য। পাশাপাশি দায়িত্বে ছিলেন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা।
ভোটকেন্দ্রগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের পাশাপাশি বডি ক্যামেরা ও বিজিবির ড্রোনের মাধ্যমে নজরদারির ব্যবস্থা রাখা হয়। ভোটের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে একটি মনিটরিং সেলও গঠন করা হয়।
ভোট গণনা শেষে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণার অপেক্ষায় রয়েছেন প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকেরা।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক