বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীতে গণমাধ্যমের কাছে এসব অভিযোগ করেন জামায়াতের এই নেতা।
গোলাম পরওয়ার দাবি করেন, ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) আসনের উপনির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হচ্ছে বলে বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী যে বক্তব্য দিয়েছেন, তা সঠিক নয়। তার অভিযোগ, নির্বাচনের দিন সাধারণ ভোটারদের কেন্দ্রে যেতে বাধা দেওয়া হয়েছে এবং পুরো এলাকায় ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করা হয়েছে।
তিনি আরও দাবি করেন, নির্বাচনের আগেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে মনস্তাত্ত্বিক ভীতি ছড়ানো হয়েছিল। বিএনপির প্রার্থীর বড় ভাই রাষ্ট্রপতির পদে থাকার সুযোগ নিয়ে ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ভোটগ্রহণে অনিয়মের অভিযোগভোটগ্রহণের প্রক্রিয়া নিয়েও প্রশ্ন তোলেন গোলাম পরওয়ার। তিনি অভিযোগ করেন, ব্যালট পেপারের মুড়িতে আগেই সিল ও স্বাক্ষর দিয়ে রাখা হয়েছে। জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) যাচাই ছাড়াই পোলিং ও প্রিসাইডিং কর্মকর্তারা নিরপেক্ষতা বজায় না রেখে একটি দলের পক্ষে কাজ করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।
জামায়াতের এই নেতা অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়েছে। তার ভাষ্য, নির্বাচন সুষ্ঠু হচ্ছে বলে প্রচার করে প্রকৃত পরিস্থিতি আড়াল করা হচ্ছে।
তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর স্বতন্ত্র সত্যতা যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ভোটঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টায় ভোটগ্রহণ শুরু হয় এবং বিকেল ৪টায় শেষ হয়। এর আগে বুধবার দুপুর থেকে ভোটকেন্দ্রগুলোতে নির্বাচনী সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক