শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) প্রকাশিত যুগান্তরের এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, খোলা বাজারের পাশাপাশি ব্যাংকিং খাতেও ডলারের দাম বেড়েছে। বৃহস্পতিবার আন্তঃব্যাংক বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে প্রতি ডলার কেনাবেচা হয়েছে ১২৩ টাকা ৯৯ পয়সা দরে। এদিন ডলারের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দর একই ছিল। এর আগে আন্তঃব্যাংক বাজারে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন দরের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যবধান দেখা যেত।
এদিকে আমদানি ঋণপত্র বা এলসির বিপরীতেও ডলারের দাম বেড়ে সর্বোচ্চ ১২৪ টাকা ৩০ পয়সায় দাঁড়িয়েছে। এতে আমদানি ব্যয় এবং বৈদেশিক দায় পরিশোধে ব্যবসায়ীদের খরচ বেড়েছে।
ডলারের বাজারে সরবরাহ বাড়াতে বুধবার রিজার্ভ থেকে ১২ কোটি ২৪ লাখ ডলার বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। দীর্ঘদিন পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক সরাসরি বাজারে ডলার বিক্রির উদ্যোগ নিল।
সংশ্লিষ্ট বাজার পরিস্থিতি বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ডলারের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্যহীনতা তৈরি হওয়ায় খোলা বাজারে দামের ওপর চাপ বাড়ছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডলার বিক্রির পর বাজারে সরবরাহ পরিস্থিতির কতটা উন্নতি হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক