শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ২০ মে ২০২৬, ১০:৪৩ রাত
  • ১৩৬৪৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা, আসামি সোহেলের স্বীকারোক্তি

সাত বছরের শিশু রামিসাকে হত্যা ও ধর্ষণের ঘটনায় হওয়া মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে।

বুধবার (২১ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদ ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।

এদিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপপরিদর্শক অহিদুজ্জামান পৃথকভাবে সোহেল রানার জবানবন্দি রেকর্ড ও স্বপ্নাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

জবানবন্দিতে জিজ্ঞাসাবাদে আসামি সোহেল রানা ঘটনার কথা স্বীকার করে।

আসামি সোহেল শিশু কন্যা রামিসাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের পর খুন করে এবং দ্বিতীয় আসামি স্বপ্নার সহায়তায় লাশ গুমের উদ্দেশ্যে বাদীর শিশু কন্যা রামিসা আক্তারের মাথা আলাদা এবং যৌনাঙ্গ ক্ষতবিক্ষতসহ শরীরে বিভিন্ন অংশ বিচ্ছিন্ন করার কথা স্বীকার করে।

আদালত জবানবন্দির রেকর্ডের পর সোহেল রানাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

অপর আসামি সোহেল রানার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রামিসাকে হত্যার ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা করেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদী তার পরিবারের লোকজন নিয়া পল্লবী থানাধীন সেকশন-১১, ব্লক-বি এলাকায় ফ্ল্যাটে সপরিবারে ভাড়া বাসায় বসবাস করিয়া বনানীতে একটি বেসরকারি অফিসে চাকরি করেন। আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারও একই বাসার অন্য ফ্ল্যাটে থাকতেন। ভিক্টিম পপুলার মডেল হাই স্কুলের ২য় শ্রেণিতে লেখাপড়া করত। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার সময় ঘর থেকে বের হলে আসামি কৌশলে ভিক্টিমকে তার ফ্ল্যাটের রুমে নিয়ে যায়।

''নিউজটা নতুন শিরোনাম দিয়ে নির্ভুল করে জাতীয় দৈনিক পত্রিকার সংবাদের আদলে সাজিয়ে দাও''




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad