শনিবার ভোরে উপজেলার চান্দেরহাট বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ৩৩৩/এমপির কাছাকাছি এ ঘটনা ঘটে।
গুলিতে নিহত একজন, আহত দুইজনসূত্র জানায়, শনিবার ভোররাতে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর সীমান্ত দিয়ে কয়েকজন বাংলাদেশি ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেন। এ সময় ৩৩৩/এমপি সীমান্ত পিলারের কাছে ভারতের উত্তর দিনাজপুরের ৬৩ চক শিবানন্দ বিএসএফ ক্যাম্পের টহল দল তাদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়।
এতে পীরগঞ্জের দক্ষিণ ইন্দ্রইল গ্রামের আসাদুল (৩৩), উত্তর ইন্দ্রইল গ্রামের মোস্তাকিম (৩২) ও উষা রানী গুলিবিদ্ধ হন। গুরুতর আহত অবস্থায় বিএসএফ তাদের উদ্ধার করে ভারতের কালিয়াগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আসাদুজ্জামানকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত মোস্তাকিম ও উষা রানীকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।
শনিবার দুপুরে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসাদুজ্জামানের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়।
আহত দুইজনের বিরুদ্ধে মামলাঅনুপ্রবেশের অভিযোগে আহত দুই বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করে কালিয়াগঞ্জ থানার পুলিশ। পরে তাদের রায়গঞ্জ জেলা আদালতে পাঠানো হয়। ভারতীয় পাসপোর্ট আইনের অনুপ্রবেশসংক্রান্ত ধারায় তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।
জরুরি পতাকা বৈঠকসীমান্তে উত্তেজনার পরিপ্রেক্ষিতে রোববার সকাল সাড়ে ১১টায় ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়নের ভবানীপুর সীমান্ত এলাকায় বিজিবির ৪২ ব্যাটালিয়ন ও বিএসএফের মধ্যে জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বিজিবি সূত্র জানায়, আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শেষে নিহতের লাশ রোববার সন্ধ্যায় বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হয়। পরে রাত ৮টায় পরিবারের কাছে লাশ হস্তান্তর করে বিজিবি।
৪২ বিজিবির সিইও আবদুল্লাহ আল মঈন বলেন, ‘বিষয়টি আমরা বিভিন্ন সূত্রে জেনে পতাকা বৈঠকের জন্য আহ্বান করলে রোববার সকালে একটি জরুরি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। নিহতের লাশ রোববার রাতে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স