রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযানে ২৪৪টি হারানো মোবাইল উদ্ধার

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ০৫:৫৫ বিকাল
  • ৩০৪৪১ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

কক্সবাজারের রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও উখিয়া–টেকনাফ এলাকায় গত এক বছরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪৪টি হারানো মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ৪০ হাজার টাকা উদ্ধার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (১৬ এপিবিএন)।


এপিবিএন সূত্রে জানা গেছে, রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতে ১৬ এপিবিএন টেকনাফে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এর অংশ হিসেবে বিশেষ করে নয়াপাড়া, লেদা, শামলাপুর ও জাদিমুরা রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতেও সাইবার নজরদারি ও প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিং জোরদার করা হয়েছে। এসব ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় বসবাসরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তা ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে এবং হারানো মোবাইল উদ্ধার এবং মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে ব্যাটালিয়নের বিশেষ টিম।


জানা যায়, ব্যাটালিয়নের বিশেষায়িত ‘সাইবার টিম’ তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে বিভিন্ন সময়ে হারিয়ে যাওয়া বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোট ২৪৪টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ৪০ হাজার টাকা প্রযুক্তিগত অনুসন্ধানের মাধ্যমে শনাক্ত ও উদ্ধার করে। পরবর্তীতে যথাযথ যাচাই-বাছাই শেষে এসব মোবাইল ফোন ও উদ্ধারকৃত অর্থ প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও অর্থ ফিরে পেয়ে ভুক্তভোগীরা সন্তোষ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।


এ বিষয়ে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ কাউছার সিকদার দৈনিক আমার দেশ-কে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও পার্শ্ববর্তী উখিয়া–টেকনাফ এলাকায় অপরাধ দমনে আমরা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছি। প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশিংয়ের মাধ্যমে মোবাইল হারানো, অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারণা প্রতিরোধের পাশাপাশি সন্ত্রাস, মাদক ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে ১৬ এপিবিএন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সাইবার টিমের এই সাফল্য জননিরাপত্তা নিশ্চিতে আমাদের সক্ষমতার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ।


তিনি আরো বলেন, এ ধরনের প্রযুক্তিনির্ভর ও জনবান্ধব কার্যক্রম সাধারণ জনগণের মধ্যে পুলিশের প্রতি আস্থা ও বিশ্বাস আরও সুদৃঢ় করছে। ভবিষ্যতেও রোহিঙ্গা ক্যাম্প ও সীমান্তবর্তী টেকনাফ অঞ্চলে জনসেবামূলক কার্যক্রমকে আরও আধুনিক, গতিশীল ও কার্যকর করতে ১৬ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন বদ্ধপরিকর।












কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad