উল্লাপাড়া–সলঙ্গায় মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত: জমে উঠেছে মর্যাদার লড়াই

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ০৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৫:৩৮ বিকাল
  • ৩১৬২৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

উল্লাপাড়া–সলঙ্গায় মুখোমুখি বিএনপি ও জামায়াত: জমে উঠেছে মর্যাদার লড়াই


আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে সিরাজগঞ্জ-৪ (উল্লাপাড়া–সলঙ্গা) আসনের রাজনৈতিক মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মিত্র হলেও বর্তমানে প্রতিদ্বন্দ্বী অবস্থানে থাকা বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে এই আসনে শুরু হয়েছে মর্যাদা ও প্রভাবের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ব্যালটের মাধ্যমে এই লড়াইয়ের চূড়ান্ত ফয়সালা হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভোটাররা।

এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠে রয়েছেন সাবেক সংসদ সদস্য এম. আকবর আলী। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী হিসেবে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁন। দুই প্রার্থীই নিজ নিজ বলয় সুসংহত করতে নিয়মিত গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও সাংগঠনিক সভা চালিয়ে যাচ্ছেন।

বিশেষ করে গত ২৪ জানুয়ারি সিরাজগঞ্জে জামায়াত আমিরের জনসভায় মাওলানা রফিকুল ইসলাম খাঁনের পক্ষে বিশাল শোডাউন এবং এর পরপরই বিএনপির নির্বাচনী জনসভায় তারেক রহমানের ভার্চুয়াল বক্তব্য—এই দুই আয়োজন নির্বাচনী উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে পাল্টাপাল্টি শক্তি প্রদর্শনের মধ্য দিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা এখন চূড়ান্ত রূপ নিয়েছে।

উল্লাপাড়া ও সলঙ্গা অঞ্চলে বিএনপি ও জামায়াত—উভয় দলেরই সাংগঠনিক ভিত্তি বেশ শক্তিশালী। স্থানীয় ভোটারদের মতে, আওয়ামী লীগের অনুপস্থিতিতে এবারের নির্বাচনে ভোটের ভাগাভাগিই হবে মূল নিয়ামক। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের একটি বড় ভোটব্যাংক শেষ পর্যন্ত কোন দিকে ঝুঁকে পড়ে, সেটিই ফল নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।

বিশ্লেষকদের মতে, এই আসনে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, অতীত ভূমিকা এবং এলাকার উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি—এই তিনটি বিষয়ই বিজয় নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

নির্বাচনী প্রচারণাকে কেন্দ্র করে সম্প্রতি সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা ও উত্তেজনার খবর পাওয়া গেছে। উল্লাপাড়াতেও দুই পক্ষের কর্মীদের মধ্যে কথার লড়াই ও আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা মাঠের উত্তাপ আরও বাড়িয়ে তুলছে।

এদিকে, ১২ ফেব্রুয়ারির ভোটকে সামনে রেখে রিটার্নিং অফিসার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কঠোর নজরদারি জোরদার করেছে। ভোটারদের প্রত্যাশা, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার মাধ্যমে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারা তাদের পছন্দের প্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারবেন।






কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad