দীর্ঘ ১২ বছর পর অবশেষে অনুষ্ঠিত হচ্ছে সিরাজগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি–র বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচন। দীর্ঘদিনের স্থবিরতা কাটিয়ে ব্যবসায়ী মহলে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে এনেছে এই নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবমুখর পরিবেশ।
নির্বাচনের দিন সকাল থেকেই চেম্বার ভবন এলাকায় ছিল ভোটার ও প্রার্থীদের সরব উপস্থিতি, সমর্থকদের মিছিল-মিটিং এবং ব্যানার-পোস্টারে ভরপুর এক উৎসবঘন চিত্র।
শনিবার (৬ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। যদিও ভোট শেষের নির্ধারিত সময় ছিল বিকেল ৫টা, তবুও নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ ভোটার ভোট দিতে না পারেন, ততক্ষণ ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে কমিশনের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগ।
চেম্বারের সবচেয়ে বড় অংশ অর্ডিনারি গ্রুপ। এই গ্রুপে ভোটার সংখ্যা ৪৩৮ জন। পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪৪ জন প্রার্থী, যাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত হবেন ১৪ জন পরিচালক।
এই গ্রুপ থেকেই পরে গঠিত হবে চেম্বারের মূল নেতৃত্ব। নির্বাচিত ১৪ পরিচালক পরবর্তীকালে হবেন— ১ জন প্রেসিডেন্ট, ১ জন সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট, ১ জন ভাইস প্রেসিডেন্ট।
এরই মাঝে উত্তাপ ছড়াচ্ছে নেতৃত্বের লড়াই। প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী ২ জন, সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ৩ জন, আর ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে ৩ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রতিটি পদ নিয়ে ভোটারদের মাঝে চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা, প্রত্যাশা ও বিশ্লেষণ।
অন্যদিকে অপেক্ষাকৃত ছোট কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ অ্যাসোসিয়েট গ্রুপে মোট ভোটার ৬৮ জন। এখানে প্রার্থী হয়েছেন ৮ জন, নির্বাচিত হবেন ৬ জন পরিচালক।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো—এই গ্রুপের ভাইস প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী মাত্র একজন হওয়ায় তিনি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ইতোমধ্যেই নির্বাচিত হয়েছেন। ফলে এই গ্রুপে প্রতিযোগিতা তুলনামূলক শান্ত হলেও পরিচালক নির্বাচনে রয়েছে সূক্ষ্ম প্রতিদ্বন্দ্বিতা।

শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ