উল্লাপাড়া উপজেলা নলসোন্দা গ্রামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কে জড়িয়ে কিছু গণমাধ্যমে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ভুল ও মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে উল্লাপাড়া উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও সাধারণ সম্পাদক।
উপজেলা জামায়াত নেতৃবৃন্দ বলেন,
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি নিয়মতান্ত্রিক ও আদর্শিক আন্দোলন। আমাদের উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য হচ্ছে বাংলাদেশে নিয়মতান্ত্রিক ও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ন্যায় ও ইনসাফ ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা করা এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। অথচ আমরা অতীব দুঃখের সাথে লক্ষ করলাম কিছু অনলাইন পোর্টাল সংবাদ মাধ্যমে একটি অসত্য ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রচার করা হয়েছে যাতে উল্লেখ করা হয়েছে "চাঁদা দাবী ও ৩৮ টি দোকান বন্ধের অভিযোগ জামায়াতের বিরুদ্ধে " কিন্তু ঘটনার বিবরনে জানা যায়, বিগত আওয়ামী লীগের আমলে স্থানীয় বিএনপি নেতা সাইদুল ইসলাম আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের যোগসাজশে নলসোন্দা গ্রামে নতুনভাবে বাজার বসিয়ে এলাকায় বিতর্ক সৃষ্টি করে। এতে পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বন্দ্ব বাঁধে নতুন বাজারের ব্যবসায়ীদের। বিএনপি নেতা সাইদুল ও তার ভাই সাইফুল এবং নতুন বাজারের বিএনপি পন্থী কিছু ব্যবসায়ী পুরাতন বাজারের ব্যবসায়ীদের সাথে উস্কানীমূলক আচরণ করে। এবং পরিকল্পিত ভাবে নতুন বাজারের বিএনপি পন্থী ব্যবসায়ীরা দোকান বন্ধ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যোগাযোগ মাধ্যমে জামায়াতকে জরিয়ে অপপ্রচার করে। বিএনপি নেতা সাইদুল আওয়ামী লীগের এমপি তানভীর ইমাম ও শফিকুল ইসলামের পক্ষে নৌকা মার্কার পক্ষে নির্বাচন করেছিল। আওয়ামী লীগের সাথে লিয়াজো করে এলাকার জামায়াত বিএনপির কর্মীদের নামে মিথ্যা বানোয়াট মামলা দিয়ে হয়রানি করতো। এখনো সাধারন মানুষকে বিভিন্ন মামলার ভয়ভীতি দেখিয়ে নিজের পক্ষে নেয়ার চেষ্টা করছে। জামায়াতের জনপ্রিয় দেখে বিরোধী পক্ষ উম্মাদ হয়ে নানান অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছে। এবং নতুন বাজারে দুই ব্যবসায়ী জামায়াত কর্মী আব্দুল বাসেদ ও তারেককে দোকান ছেড়ে চলে যেতে বলে বিএনপি পন্থী ঘর মালিক। দু'পক্ষের মাঝে দীর্ঘদিন বিভেদ বাড়তে থাকে।পরবর্তীতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা বসে মীমাংসা করে দেন।
অথচ সেই সাংবাদিকের দায়িত্ব ছিল ঘটনার সত্যতা যাচাই বাছাই করা কিন্ত তিনি কারো সাথে কথা না বলে এক পক্ষের কথা শুনে সংবাদ প্রেরণ করেছেন।
এই সংবাদে জামায়াতে ইসলামীর সুনাম শুধু ক্ষুন্নই হয় নাই। জামায়াতে ইসলামী সম্পর্কে জনগণের মাঝে ভুল ও অসত্য তথ্য পরিবেশন করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হয়েছে। আমরা প্রকৃত ঘটনা জানানোর জন্য অত্র সাংবাদিকদের আহ্বান করেছি। আপনাদের প্রকৃত ঘটনা অবহিত করলাম। যে সংবাদ মাধ্যমে এই সংবাদ ছাপা হয়েছে তারা আমাদের বক্তব্য প্রচার করে জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি নিরসন করবেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক