প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর আগের তুলনায় সীমিত পরিসরে বিদ্যমান যন্ত্রাংশ ব্যবহার করে ভূগর্ভস্থ কয়েকটি স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র তৈরি করছে তেহরান। একই সঙ্গে নতুন করে মার্কিন হামলা এড়াতে আরও ভূগর্ভস্থ উৎপাদনকেন্দ্র নির্মাণের কাজও চলছে।
এখনো হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র থাকার দাবিযুক্তরাষ্ট্রের দাবি, ইরানের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও নৌ-শিল্পভিত্তির ৯০ শতাংশ পর্যন্ত ধ্বংস করা হয়েছে। তবে বিশ্লেষকদের ধারণা, ইরানের হাতে এখনো হাজার হাজার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকতে পারে।
ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও দেশটির প্রতিরক্ষা সক্ষমতায় নতুন অগ্রগতির ইঙ্গিত দিয়েছে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, ‘শিগগিরই আপনারা এই হিমশৈলের চূড়ার একটি অংশ দেখতে পাবেন।’
ষষ্ঠ মাসে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতএদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত ষষ্ঠ মাসে গড়িয়েছে। হরমুজ প্রণালি নিয়ে বিরোধ এবং বিশ্বব্যাপী তেল সরবরাহে এর সম্ভাব্য প্রভাবের কারণে জ্বালানি সংকটও আরও তীব্র হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর সংঘাতের অবসান হতে পারে। তবে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স