পুনর্গঠিত ১৯ সদস্যের এ কমিটির সভাপতি করা হয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে। গত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, কমিটিতে ৯ জন মন্ত্রী ও উপদেষ্টা সদস্য হিসেবে রয়েছেন। এ ছাড়া মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, তিন পার্বত্য জেলা থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্যবৃন্দ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক এবং জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থা (এনএসআই) ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) মহাপরিচালক সদস্য হিসেবে থাকবেন।
কমিটির প্রধান সমন্বয়কের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রধান সমন্বয়ককে। আর ডিজিএফআইয়ের মহাপরিচালককে করা হয়েছে সদস্যসচিব।
যেসব দায়িত্ব পালন করবে কমিটিপুনর্গঠিত জাতীয় কমিটি পার্বত্য চট্টগ্রাম-সংক্রান্ত বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করবে। একই সঙ্গে এসব কার্যক্রমের আয়-ব্যয় এবং বাস্তবায়নের অগ্রগতি তদারক করবে।
এ ছাড়া পার্বত্য চট্টগ্রামে নিয়োজিত বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনী, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর কার্যপরিধি ও কর্মক্ষেত্র নির্ধারণের দায়িত্বও পালন করবে কমিটি।
পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে জাতীয় কর্মকৌশল প্রণয়ন এবং তা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়াও কমিটির অন্যতম দায়িত্ব।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কাজের প্রয়োজনে কমিটি যেকোনো মন্ত্রণালয়, নিরাপত্তা বাহিনী বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সভায় আমন্ত্রণ জানাতে পারবে।
কমিটির প্রাতিষ্ঠানিক ও দাপ্তরিক কার্যক্রম তথা সচিবালয়ের দায়িত্ব পালন করবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সশস্ত্র বাহিনী বিভাগ।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হুমায়ুন কবির।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক