বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১০টার দিকে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
আহত আনসার সদস্যরা হলেন—শাহিনুর, মোস্তাফিজুর রহমান, আনোয়ার হোসেন ও আজাদ। তারা বর্তমানে শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আটক ব্যক্তিরা হলেন—বোরহান উদ্দিন (১৮), তানভীর আহমেদ (১৭), সামির আহম্মেদ (১৮) ও রিশাদ (১৭)। পুলিশ জানিয়েছে, তারা বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ ও বগুড়া ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের উচ্চমাধ্যমিকের শিক্ষার্থী।
মোটরসাইকেল দুর্ঘটনার পর হট্টগোলহাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বুধবার রাতে বগুড়া শহরের বৌ বাজার এলাকায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক তরুণ আহত হন। পরে তার বন্ধুরা তাকে উদ্ধার করে শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বে থাকা ট্রলি বহনকারী নাহিদের সঙ্গে ওই তরুণের বন্ধুদের তর্কবিতর্ক শুরু হয়।
একপর্যায়ে ৬ থেকে ৭ জন নাহিদকে মারধর শুরু করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে জরুরি বিভাগের দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যরা এগিয়ে গেলে তাদের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে চার আনসার সদস্য আহত হন।
আনসার কর্তৃপক্ষের দাবি, হামলার সময় তাদের ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। পরে পুলিশ ও অতিরিক্ত আনসার সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ সময় চারজনকে আটক করা হয়। তবে হামলায় জড়িত আরও কয়েকজন পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, বগুড়ার জেলা কমান্ড্যান্ট গোলাম মৌলাহ্ তুহিন বলেন, ‘হট্টগোল ঠেকাতে গিয়ে চার আনসার সদস্য আহত হয়েছেন। তাদের ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। তারা আশঙ্কামুক্ত রয়েছেন। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বগুড়া ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইকবাল বাহার বলেন, হামলায় চাকু ব্যবহার করা হয়েছে কি না, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে আনসার সদস্যদের মারধর করা হয়েছে এবং তারা আহত হয়েছেন। ঘটনায় জড়িত চারজনকে আটক করা হয়েছে।
তথ্যসূত্র: হাসপাতাল সূত্র, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী এবং বগুড়া ডিবি পুলিশ।

মোঃ রায়হান চৌধুরী,(নিজস্ব প্রতিবেদক)