নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই ২০২৬ থেকে কার্যকর হিসেবে বিবেচিত হওয়ার কথা। ফলে জুলাই থেকে নতুন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পুনর্নির্ধারণ এবং বকেয়া অর্থ সমন্বয়ের বিষয়টি সামনে এসেছে।
গেজেট প্রকাশে দেরির কারণএর আগে জুলাই ও আগস্টে গেজেট প্রকাশের আলোচনা থাকলেও বেতন বৃদ্ধির হার, বিভিন্ন ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা, জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সঙ্গে সমন্বয় এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা নিয়ে পর্যালোচনার কারণে সময়সূচিতে পরিবর্তন আসে।
পে স্কেলের চূড়ান্ত কাঠামো নিয়ে সচিব কমিটির পর্যালোচনা, প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এবং আইনগত ভেটিং শেষে গেজেট প্রকাশের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। এর আগে মন্ত্রিসভায় নতুন পে স্কেলের প্রস্তাব অনুমোদনের খবরও প্রকাশিত হয়েছিল।
অক্টোবর থেকে বাড়তি বেতন পাওয়ার পরিকল্পনাসরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, অক্টোবর থেকে সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন বেতন কাঠামো অনুযায়ী বেতন পেতে পারেন। তবে যেহেতু নতুন পে স্কেল ১ জুলাই থেকে কার্যকর ধরা হচ্ছে, তাই জুলাই, আগস্ট ও সেপ্টেম্বর—এই তিন মাসের বেতন পুনর্নির্ধারণ করে বকেয়া হিসেবে সমন্বয় করা হবে।
মূল্যস্ফীতির চাপ ও সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় বকেয়া অর্থ একসঙ্গে পরিশোধের পরিবর্তে ধাপে ধাপে দেওয়ার পরিকল্পনার কথাও সংশ্লিষ্ট সূত্রে এসেছে। এতে সরকারের ওপর এককালীন বড় আর্থিক চাপ কমবে।
এর আগে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছিলেন, নতুন বেতন কাঠামো ১ জুলাই থেকে কার্যকর করা হবে এবং চলতি অর্থবছর থেকেই ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়ন করা হবে।
আর্থিক সংস্থানের বিষয়টিও বিবেচনায়নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থের সংস্থান নিয়ে সরকার অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রয়োজনে ঋণ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
পে স্কেলের বাস্তবায়ন কীভাবে ও কত ধাপে হবে, তা নিয়ে সরকারের পক্ষ থেকে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের কথা আগেই জানানো হয়েছিল।
জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোনতুন জাতীয় পে স্কেলের সঙ্গে জুডিশিয়াল সার্ভিসের বেতন কাঠামোর সমন্বয়ের বিষয়টিও আলোচনায় ছিল। মন্ত্রিসভায় জাতীয় পে স্কেল অনুমোদনের সময় জুডিশিয়াল সার্ভিসের জন্য পৃথক কমিটি গঠনের কথাও জানানো হয়েছিল। কমিটির প্রতিবেদনের ভিত্তিতে এ সংক্রান্ত বেতন কাঠামো নির্ধারণের কথা রয়েছে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক