বোয়িংয়ের আরও ১১ উড়োজাহাজ কিনছে বিমান

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৭ দুপুর
  • ৩৪৯৫ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি করেছে। নতুন এ চুক্তির ফলে আগের চুক্তিসহ বিমানের বহরে বোয়িংয়ের মোট ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হচ্ছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ চুক্তি সই হয়। বিমানের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বোয়িং ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়া কমিউনিকেশন্সের তথ্য অনুযায়ী, নতুন ১১টি উড়োজাহাজের মধ্যে পাঁচটি ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭ ম্যাক্স।

আগের চুক্তিতে ১৪ উড়োজাহাজ

এর আগে গত ৩০ এপ্রিল বোয়িংয়ের কাছ থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। ওই চুক্তির আওতায় বাংলাদেশকে ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৪৫ হাজার ৪০৮ কোটি টাকা, পরিশোধ করতে হবে। ২০৩১ থেকে ২০৩৫ সালের মধ্যে ধাপে ধাপে এসব উড়োজাহাজ সরবরাহ করার কথা রয়েছে।

নতুন ১১টি উড়োজাহাজের ক্রয়মূল্য এখনও প্রকাশ করা হয়নি। তবে দুটি চুক্তি মিলিয়ে বিমানের বহরে বোয়িংয়ের ২৫টি নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হচ্ছে।

বহর আধুনিকায়নে গুরুত্ব

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন বলেন, নতুন এ চুক্তি বিমানের বহর আধুনিকায়ন ও নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। বিমানের বহর পরিকল্পনার প্রয়োজন বিবেচনা করেই নতুন উড়োজাহাজের ক্রয়াদেশ দেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিনের কার্যকর ও পারস্পরিক সহযোগিতামূলক সম্পর্ক উড়োজাহাজ সরবরাহ এবং পরবর্তী সহায়তা ব্যবস্থাপনার বিষয়ে বিমানকে আস্থা দিয়েছে।

রুমী এ হোসেন আরও বলেন, জাতীয় পতাকাবাহী সংস্থা হিসেবে দেশের জনগণ, প্রবাসী বাংলাদেশি, ব্যবসায়ী ও পর্যটকদের ক্রমবর্ধমান যোগাযোগের চাহিদা পূরণে বিমানের নেটওয়ার্ক ও সক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই এ চুক্তি করা হয়েছে।

নতুন রুট চালুর পরিকল্পনা

চুক্তির পর ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহ্‌দী আমিন বলেন, দেশের এভিয়েশন খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে এবং নতুন নতুন আন্তর্জাতিক রুট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে। এ কারণে নতুন উড়োজাহাজ প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বোয়িংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বাণিজ্যিক সম্পর্ক রয়েছে। তবে ভবিষ্যতে প্রয়োজন অনুযায়ী এয়ারবাসের সঙ্গেও আলোচনা হতে পারে।

মাহ্‌দী আমিন জানান, চুক্তি স্বাক্ষরের পর বোয়িংয়ের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে।

অনুষ্ঠানে যারা ছিলেন

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, চুক্তিতে বিমানের পক্ষে পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ হোসেন এবং বোয়িংয়ের কমার্শিয়াল সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং বিভাগের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড ম্যাকমুলেন সই করেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহ্‌দী আমিন, যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ক্রিস্ট




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad