স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরে পুলিশের গাফিলতি প্রমাণিত হলে ব্যবস্থা

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:১৫ বিকাল
  • ৪১০৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg পুলিশ(ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ।

রাজধানীর মিরপুরে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় পুলিশের কোনো অবহেলা বা গাফিলতি ছিল কি না, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এজন্য তিন সদস্যের কমিটি করা হয়েছে।

শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এ কথা জানান।

ঘটনাটি আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টায় ঘটানো সম্ভব নয় নয় বলে মনে করেছেন তিনি। ডিএমপি কমিশনার বলেছেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে মনে হয়েছে, এটি সময় নিয়ে করা হয়েছে। বিশেষ করে, ভবনের দুই পাশের টিনশেড ক্ষতিগ্রস্ত ও ভাঙচুর করা হয়েছে। ভবনের বিভিন্ন জায়গায়ও ভাঙচুরের আলামত পাওয়া গেছে।

এই ঘটনায় জড়িতদের বিষয়ে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে এবং চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

এজাহারে নাম উল্লেখ থাকা একজনসহ আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। তাদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে।

পুলিশের গাফিলতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে মোসলেহ উদ্দিন আহমদ বলেন, গভীর রাতের এ ঘটনা প্রতিরোধ করা অবশ্যই পুলিশের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।

খবর পাওয়ার পর পুলিশ কত দ্রুত পৌঁছেছিল বা তাদের কোনো অবহেলা কিংবা গাফিলতি ছিল কি না তা খতিয়ে দেখতে এডিসি দারুস সালামকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটিকে আজকের (শনিবার) মধ্যেই প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং গাফিলতি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

রাজধানীতে যেকোনো ধরনের দখল ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, আমাদের বার্তা একদম স্পষ্ট। অপরাধী যে-ই হোক, আমরা কোনো রাজনৈতিক দল বা সামাজিক পরিচয় দেখব না। আইনবহির্ভূত ও বেআইনি কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রত্যেককে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad