এই জয়ে স্পেন তাদের টানা অপরাজিত থাকার রেকর্ড ৩৯ ম্যাচে উন্নীত করেছে।
শুরুতেই এগিয়ে স্পেনম্যাচের দ্বিতীয় মিনিটেই এগিয়ে যায় স্পেন। ইংল্যান্ডের মার্ক গুয়েহির ভুলের সুযোগ নিয়ে বল দখলে নেন লামিন ইয়ামাল। এরপর দূরের পোস্ট লক্ষ্য করে নেওয়া শটে ইংল্যান্ডের গোলরক্ষক জেমস ট্রাফোর্ডকে পরাস্ত করেন স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড।
গোল হজমের পর দ্রুত ঘুরে দাঁড়ায় ইংল্যান্ড। স্পেনের নিকো উইলিয়ামস পিছলে পড়লে পাল্টা আক্রমণের সুযোগ পায় স্বাগতিকরা। জুড বেলিংহামের পাস থেকে ৩৬তম মিনিটে প্রায় ২০ গজ দূর থেকে নিচু শটে গোল করে ইংল্যান্ডকে সমতায় ফেরান অ্যান্থনি গর্ডন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে আরও একবার গোলের কাছাকাছি যায় ইংল্যান্ড। ও'রেইলির ক্রস থেকে কেইনের হেড মার্ক কুকুরেলার গায়ে লেগে জালে জড়ায়। তবে পরের মুহূর্তে কুকুরেলার শট ক্রসবারে আঘাত করলে আর গোল পায়নি স্পেন। ১-১ সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
কেইনের পেনাল্টি মিসদ্বিতীয়ার্ধে ম্যাচের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত আসে ৫৪তম মিনিটে। রদ্রির চ্যালেঞ্জে বেলিংহাম পড়ে গেলে ভিএআর পর্যালোচনার পর ইংল্যান্ডকে পেনাল্টি দেন রেফারি ডেভিড মাসা।
স্পটকিক নিতে এগিয়ে যান অধিনায়ক হ্যারি কেইন। কিন্তু শট নেওয়ার সময় পা পিছলে যাওয়ায় বল তার দাঁড়ানো পায়ে লেগে ক্রসবারে আঘাত করে। ফলে সহজ সুযোগ পেয়েও লিড নিতে পারেনি ইংল্যান্ড।
বায়েনা-ওয়ারজাবালের গোলে স্পেনের জয়কেইনের পেনাল্টি মিসের পর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেয় স্পেন। বদলি হিসেবে মাঠে নামা অ্যালেক্স বায়েনা ২০ গজ দূর থেকে শটে ৬৬তম মিনিটে স্পেনকে আবার এগিয়ে দেন।
এরপর ৭৪তম মিনিটে বায়েনার পাস থেকে গোল করেন মিকেল ওয়ারজাবাল। ইউরোর ফাইনালেও ইংল্যান্ডের বিপক্ষে গোল করেছিলেন এই স্প্যানিশ ফরোয়ার্ড। এবার ওয়েম্বলিতে তাঁর গোলেই স্পেন জয়ের পথে এগিয়ে যায়।
শেষ দিকে সমতায় ফেরার চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। বুকায়ো সাকার শক্তিশালী একটি শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হলে ইংল্যান্ডের শেষ সুযোগটিও নষ্ট হয়। শেষ পর্যন্ত ওয়েম্বলিতে ৩-২ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্পেন।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স