সোমবার (১৯ অক্টোবর) প্রকাশিত অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, উপজেলার বৈলাব গ্রামের মৃত সিরাজ উদ্দিনের মেয়ে শারমিন আক্তারের বসতবাড়ি থেকে কিছুটা দূরে দোপাত্তর জোনারটেক এলাকায় প্রায় ৪০ শতাংশ জমির ওপর পুকুর দুটি অবস্থিত। সেখানে মলা, কই, শিং, কাংলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির দেশি মাছ চাষ করা হচ্ছিল। পুকুর দুটিতে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার মাছ ছিল বলে দাবি করেছেন তিনি।
মাছ চাষ নিয়ে বিরোধঅভিযোগে শারমিন আক্তার উল্লেখ করেন, একই গ্রামের আহাম্মদের ছেলে বুরজি (৫০), বাতেন (৪০) ও বুরজির স্ত্রী সেলিনা বেগম (৩৫) আগে পুকুর দুটিতে মাছ চাষ করতেন। পরে শারমিন নিজেই পুকুর দুটিতে মাছ চাষের সিদ্ধান্তের কথা জানালে তাঁদের সঙ্গে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এ নিয়ে তাঁকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়া হয়েছিল বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।
সকালে ভেসে ওঠে মরা মাছশারমিন আক্তারের অভিযোগ, গত ১৮ অক্টোবর রাত থেকে ১৯ অক্টোবর ভোরের মধ্যে যেকোনো সময় পুকুর দুটিতে কীটনাশকজাতীয় বিষ প্রয়োগ করা হয়ে থাকতে পারে। পরে সোমবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে মাছ মরে পানিতে ভেসে ওঠার খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পুকুরে যান তিনি।
সেখানে গিয়ে পুকুরের মাছ মরে ভেসে থাকতে দেখেন বলে জানান শারমিন। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের বিষয়টি অবহিত করে তিনি শিবপুর মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের শনাক্ত করে তাঁদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তিনি।
তদন্তের আশ্বাস পুলিশেরএ বিষয়ে শিবপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কোহিনূর মিয়া বলেন, অভিযোগটি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক