শনিবার দলটির প্রধান কার্যালয়ে নির্বাহী কমিটির দুই দিনব্যাপী বর্ধিত সভার দ্বিতীয় ও শেষ দিন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।
হাসনাত কাইয়ুম বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের যে গণ-আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে, তা বাস্তবায়নে দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জাতীয় ঐক্য গড়ে তোলা হবে। গণভোটে পাওয়া গণরায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে দেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে বৃহত্তর জাতীয় ঐক্য গড়ে তুলতে হবে।
সভায় বলা হয়, গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত গণভোটের রায় কার্যকর করতে সরকার নানা টালবাহানা করছে। এ নিয়ে নেতারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জনগণের ঐতিহাসিক রায় বাস্তবায়নে সরকারকে বাধ্য করতে রাজপথের আন্দোলন ও জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও সভায় মত দেওয়া হয়।
এ লক্ষ্যে সব গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল, সামাজিক ও অধিকারভিত্তিক সংগঠনকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় আরও বলা হয়, জনগণের জান-জবান ও সম্মানের অধিকার, কাঠামোগত পরিবর্তন এবং প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে নতুন বাংলাদেশ গড়ার যে সিদ্ধান্ত ভোটাররা দিয়েছেন, তা বাস্তবায়নে রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন মাঠে থাকবে।
দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান সেলিমের সভাপতিত্বে এবং আইনবিষয়ক সম্পাদক সিরাজুল ইসলাম মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহমুদ জামাল কাদেরী, হাবিবুর রহমান রাজা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক দিদার ভূঁইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সোহেলসহ অন্য নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স