রোববার সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উদযাপনে জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির প্রথম সভা শুরুর আগে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান শিক্ষা ও প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন ও অগ্রগতির মূল চালিকাশক্তি শিক্ষক সমাজ। মাঠপর্যায়ে যারা ভালো কাজ করছেন, তাদের যথাযথ স্বীকৃতি, পুরস্কার ও উৎসাহ দেওয়াই এ উদ্যোগের লক্ষ্য। আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবসে দেশের শিক্ষকদের অবদান স্মরণ ও সম্মানিত করা হবে।
তিনি জানান, সেরা শিক্ষক নির্বাচনের জন্য একটি নীতিমালা চূড়ান্ত করার কাজ চলছে। এর আগে ১২ জন শিক্ষককে ২ লাখ টাকা করে মোট ২৪ লাখ টাকা দেওয়া হতো। এবার এ পরিধি বাড়িয়ে দেশের দক্ষ ও গুণী শিক্ষকদের মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নির্বাচিত ১০০ শিক্ষককে ১ লাখ টাকা করে পুরস্কার ও সম্মাননা দেওয়া হবে।
অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পরিশোধের উদ্যোগঅবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের বকেয়া পাওনা প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ২০১৬ সাল থেকে আগস্ট ২০২৬ পর্যন্ত শিক্ষকদের নিজস্ব কন্ট্রিবিউশনের বকেয়া অংশ ইতোমধ্যে পরিশোধ করা হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রদেয় বাকি অনুদানের অর্থও ধাপে ধাপে পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
শিক্ষকদের আচরণবিধি পর্যালোচনাশিক্ষকদের আচরণবিধি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষকেরা তাঁদের আচরণের মাধ্যমে সমাজকে আলোকিত করেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অযাচিত কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ এবং শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি রক্ষায় আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণ করে প্রয়োজনীয় নীতিমালা ও নির্দেশিকা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
সভায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আবদুল খালেক বলেন, নতুন পে স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে কাজ চলছে। সরকারি কর্মচারীরা যে হারে সুবিধা পাবেন, শিক্ষকরাও একই অনুপাতে সুবিধা পাবেন।
সভায় জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এবং জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক