শুক্রবার জুমার নামাজের পর আনুমানিক দুপুর আড়াইটার দিকে পাঁচলাইশ থানাধীন ষোলশহর রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
শিশুকে বাঁচাতে গিয়ে ট্রেনের নিচে মিন্টুপ্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রেললাইনের আশপাশে চটপটি খেতে গিয়ে একপর্যায়ে রেললাইনে উঠে পড়ে রাহাত। এ সময় কক্সবাজারগামী পর্যটন এক্সপ্রেস ট্রেনটি আসতে দেখে শিশুটিকে বাঁচাতে ছুটে যান মিন্টু। তাকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করার সময় মিন্টু নিজেই ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে ঘটনাস্থলে মারা যান।
নিহত দেলোয়ার হোসেন মিন্টু ফেনী জেলার ফুলগাজী উপজেলার বাসিন্দা। তিনি পেশায় ইলেকট্রনিক মিস্ত্রি ছিলেন। দুর্ঘটনার পর তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ষোলশহর রেলওয়ে স্টেশনে রাখা হয়েছে।
আশঙ্কাজনক শিশুটিচট্টগ্রাম রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন কুমার দে বলেন, রেলক্রসিং দিয়ে নামাজ পড়ে যাওয়ার সময় শিশুদের বাঁচাতে গিয়ে মধ্যবয়সী এক ব্যক্তি ট্রেনে কাটা পড়ে মারা যান। আহত এক শিশুকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ নুরুল আলম আশিক জানান, শুক্রবার দুপুর আড়াইটার দিকে ষোলশহর রেলওয়ে ক্রসিং দিয়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় ট্রেনের নিচে পড়ে রাহাত গুরুতর আহত হয়। পরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে ২৬ নম্বর ওয়ার্ডে পাঠান।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনায় রাহাতের একটি হাত ও একটি পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।
দুর্ঘটনার পর ষোলশহর রেলওয়ে ক্রসিং এলাকায় মানুষের ভিড় জমে যায়।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স