‘রাজনৈতিক কারণেই নিশানা করা হয়েছে’, দাবি সায়মা ওয়াজেদের

  • শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ
  • আপলোড সময় : ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৭ দুপুর
  • ৪৪২৩ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পদ থেকে ইস্তফার পর হাসিনার কন্যার অভিযোগ, ‘তাঁর শত্রুরা আমাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে’

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া অঞ্চলের আঞ্চলিক অধিকর্তার পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর রাজনৈতিক চক্রান্তের অভিযোগ তুলেছেন শেখ হাসিনার কন্যা সায়মা ওয়াজেদ পুতুল। তাঁর দাবি, শেখ হাসিনার কন্যা হওয়ার কারণেই তাঁকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হয়েছে।

বুধবার ওই পদ থেকে পদত্যাগ করেন সায়মা। এর এক দিন আগে, ৮ সেপ্টেম্বর তাঁকে পদ থেকে সরানোর সুপারিশ করেছিল ডব্লিউএইচওর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া আঞ্চলিক কমিটি। ‘নিউজ১৮’-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সায়মা বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার কন্যা। আর হ্যাঁ, আমাকে রাজনৈতিকভাবে নিশানা করা হচ্ছে। তাঁর (হাসিনা) শত্রুরা আমাকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।’

সাক্ষাৎকারে ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক টেড্রস অ্যাডানম গেব্রিয়েসাসের নেতৃত্ব নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন সায়মা। তাঁর দাবি, গেব্রিয়েসাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠার পরও তাঁকে ছুটিতে পাঠানো হয়নি। এমনকি সবেতন ছুটিতেও পাঠানো হয়নি। অথচ তাঁকেই কেন অনির্দিষ্টকালের জন্য বেতনহীন ছুটিতে রাখা হলো—এ প্রশ্ন তোলেন তিনি।

পদত্যাগপত্রেও গেব্রিয়েসাসের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারানোর কথা জানিয়েছিলেন সায়মা।

তদন্ত ও বেতনহীন ছুটির প্রসঙ্গ

২০২৪ সালের আগস্টে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সায়মা ওয়াজেদের বিরুদ্ধেও তদন্ত শুরু করে তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তাঁর বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে।

এর পর ২০২৫ সালের জুলাইয়ে সায়মাকে বেতনহীন ছুটিতে পাঠায় ডব্লিউএইচও। পদত্যাগের আগ পর্যন্ত তিনি ওই ছুটিতেই ছিলেন।

সায়মার দাবি, ডব্লিউএইচওর মহাপরিচালক ইউনূস সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলছিলেন। এ বিষয়ে তাঁর কাছে প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, ডব্লিউএইচওর সঙ্গে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের এ ধরনের যোগাযোগ ‘মান্য কূটনৈতিক বিধির পরিপন্থী’।

চীন সফর নিয়ে অভিযোগ অস্বীকার

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, চীন সফরে গিয়ে সায়মা আর্থিক দুর্নীতি করেছেন বলে ডব্লিউএইচও অভিযোগ তুলেছিল। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা নিয়েও ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।

এসব অভিযোগ অস্বীকার করে গত ৩ জুলাই ডব্লিউএইচওকে চিঠি দেন সায়মার আইনজীবীরা। সাক্ষাৎকারে সায়মা বলেন, চীন সফর নিয়ে ওঠা আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ থেকে তিনি অব্যাহতি পেয়েছেন।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad