স্বাস্থ্যকর উপায়ে রসের মিষ্টি, ঘরেই বানানো যাবে রসমালাই-পান্তুয়া

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ বিকাল
  • ২৮৭৪ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
উৎসব-পার্বণে মিষ্টি বাঙালির খাবারের অন্যতম অনুষঙ্গ। তবে অতিরিক্ত চিনি ও তেলের কারণে রসগোল্লা, পান্তুয়া বা রসমালাই খাওয়ার ক্ষেত্রে অনেকেই সতর্ক থাকেন। চিনির পরিমাণ কমিয়ে ও ভাজার বদলে বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে এসব মিষ্টি তুলনামূলক স্বাস্থ্যকর উপায়ে তৈরি করা যায়।

রসগোল্লা, পান্তুয়া কিংবা রসমালাই—রসের মিষ্টির প্রতি বাঙালির আকর্ষণ দীর্ঘদিনের। উৎসব-পার্বণে মিষ্টি না থাকলে যেন আয়োজনই অসম্পূর্ণ থেকে যায়। কিন্তু অতিরিক্ত মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করা ও ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে। বিশেষ করে ডায়াবিটিসে আক্রান্তদের জন্য প্রচলিত রসের মিষ্টি খাওয়ার ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা প্রয়োজন।

তবে কিছু উপাদান ও রান্নার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এনে বাড়িতেই তুলনামূলক স্বাস্থ্যকরভাবে রসের মিষ্টি তৈরি করা যেতে পারে।

সাবুদানার রসমালাই

সাবুদানা সহজে হজম হয় এবং এতে গ্লুটেন থাকে না। সাবুদানা ভিজিয়ে পানি ঝরিয়ে এর সঙ্গে সামান্য এলাচগুঁড়া ও ঈষদুষ্ণ দুধ মিশিয়ে ছোট ছোট বল তৈরি করতে হবে। এরপর বলগুলো ভাপে সেদ্ধ করে নিতে হবে।

অন্যদিকে লো-ফ্যাট দুধ ফুটিয়ে ঘন করে তাতে কেশর, এলাচ ও ড্রাই ফ্রুটস দিতে হবে। সবশেষে ভাপে সেদ্ধ করা সাবুদানার বলগুলো ওই দুধে দিয়ে ফ্রিজে রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করা যায়।

বেক্‌ড ছানার পান্তুয়া

পান্তুয়া সাধারণত তেলে ভেজে তৈরি করা হয়। তবে তেলে না ভেজেও এটি তৈরি করা সম্ভব। এ জন্য পানি ঝরানো ছানা ভালোভাবে মেখে তাতে সামান্য এলাচ ও চালের গুঁড়া মিশিয়ে ছোট ছোট লেচি তৈরি করতে হবে।

এরপর ১৮০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ওভেনে সেগুলো বেক করে নিতে হবে। চিনির পরিবর্তে হালকা গরম পানিতে খেজুরের গুড় গুলে সিরা তৈরি করে তাতে বেক করা পান্তুয়া ডুবিয়ে রাখলেই তৈরি হবে রসালো মিষ্টি।

কাজু-খেজুরের রসালো ক্ষীরকদম

ক্ষীরকদমও তৈরি করা যায় চিনি ছাড়াই। প্রথমে খেজুরের বিচি ফেলে ভালোভাবে বেটে নিতে হবে। এর সঙ্গে কাজুবাদামের ছোট টুকরা ও সামান্য এলাচগুঁড়া মিশিয়ে পুর তৈরি করতে হবে।

এরপর টাটকা ছানা ভালোভাবে মেখে ছোট ছোট লেচি তৈরি করে তার মধ্যে খেজুর-কাজুর পুর ভরে গোল বলের আকার দিতে হবে। সবশেষে গুড়ের তৈরি সিরায় বলগুলো ডুবিয়ে রেখে ওপর থেকে কেশর ছড়িয়ে দিলেই তৈরি হবে রসালো ক্ষীরকদম।

তবে এসব মিষ্টিতে প্রচলিত চিনির পরিবর্তে খেজুরের গুড় বা অন্য উপাদান ব্যবহার করা হলেও এগুলোকে পুরোপুরি ‘ডায়াবিটিসমুক্ত’ বা ‘ওজন না বাড়ানো’ খাবার হিসেবে ধরে নেওয়া ঠিক নয়। পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করেই খাওয়া উচিত।





কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
Sidebar Ad