চেস্টার-লি-স্ট্রিটে টস জিতে প্রথমে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয় ইংল্যান্ড। শুরুতেই ১৬ রানে টম ব্যান্টারকে (১০) হারালেও জো রুট ও বেন ডাকেটের ব্যাটে প্রাথমিক ধাক্কা সামাল দেয় স্বাগতিকরা। রুট করেন ৫২ বলে ৪৪ রান।
অধিনায়ক হ্যারি ব্রুকের ৬৯ বলে ৬৭ রানের ইনিংসে ইংল্যান্ড ৩১ ওভার শেষে ৩ উইকেটে ১৮২ রানে পৌঁছে যায়। কিন্তু ব্রুকের বিদায়ের পর দ্রুত কয়েকটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে ইংল্যান্ড। জস বাটলার করেন ৩১ রান।
তবে শেষ দিকে উইল জ্যাকসের কার্যকর ইনিংসে লড়াইয়ের পুঁজি পায় ইংল্যান্ড। ৪৭ বলে পাঁচটি চারের সাহায্যে অপরাজিত ৪৬ রান করেন তিনি। ৪৮.১ ওভারে ২৬৫ রানে অলআউট হয় স্বাগতিকরা। শ্রীলঙ্কার হয়ে আসিথা ফার্নান্দো ও সাচিন্দু কলম্বাগ তিনটি করে উইকেট নেন।
জয়ের জন্য ২৬৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই ইংলিশ বোলারদের চাপে পড়ে শ্রীলঙ্কা। ষষ্ঠ বোলার হিসেবে আক্রমণে এসে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন উইল জ্যাকস। তার অফ-স্পিনে একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে লঙ্কান ব্যাটিং লাইনআপ।
৩৭ ওভারে ১৭৬ রানে অলআউট হয় শ্রীলঙ্কা। দলের হয়ে দুনিত ওয়েলালাগে ৪৫ ও অধিনায়ক কুশল মেন্ডিস ৪২ রান করেন। কিন্তু তাদের ইনিংস দলকে জয়ের কাছে নিতে পারেনি।
বল হাতে মাত্র ২২ রান দিয়ে ৫ উইকেট নেন জ্যাকস। লিস্ট ‘এ’ ও আন্তর্জাতিক ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটিই তার প্রথম পাঁচ উইকেট। ইংল্যান্ডের স্পিনারদের ওয়ানডে ইতিহাসে এটি দ্বিতীয় সেরা বোলিং ফিগার।
ব্যাট হাতে অপরাজিত ৪৬ এবং বল হাতে ২২ রানে ৫ উইকেট—দুই বিভাগেই ম্যাচে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে ম্যাচসেরার পুরস্কারও জিতেছেন উইল জ্যাকস।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স