নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংবিরোধী অভিযানে আটক ১৭০

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ বিকাল
  • ২৯৬৮ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
নোয়াখালীর বিভিন্ন থানা এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে ১৭০ জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। আটক ব্যক্তিদের মধ্যে ১৮ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

শনিবার জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানান নোয়াখালীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন।

জেলা পুলিশ জানায়, পুলিশ সুপার এন এম নাসিরুদ্দিনের সার্বিক দিকনির্দেশনা ও তত্ত্বাবধানে কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা প্রতিরোধ, কিশোরদের অপরাধে জড়িয়ে পড়া ঠেকানো, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং সামাজিক শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এ অভিযান চালানো হয়।

যেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, আটক ১৭০ জনের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ১০ জনকে ফৌজদারি কার্যবিধির ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। আর ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। অপর ১৫২ জনকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

থানাভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে বেশি ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে হাতিয়া থানায়। তাদের মধ্যে দুজনের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে এবং ছয়জনের বিরুদ্ধে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দেওয়া হয়েছে। বাকি ৪১ জনকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়।

বেগমগঞ্জ মডেল থানায় ৩২ জনকে আটক করা হয়। তাদের মধ্যে চারজনকে ৩৪ ধারায় প্রসিকিউশন দিয়ে অপর ২৮ জনকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোনাইমুড়ী থানায় আটক ১৮ জনের মধ্যে ছয়জনকে নিয়মিত মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকি ১২ জনকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়।

এ ছাড়া কোম্পানীগঞ্জ থানায় ১৭ জন, কবিরহাট থানায় ৯ জন, চাটখিল থানায় ৬ জন, সুধারাম মডেল থানায় ৪ জন, সেনবাগ থানায় ৩ জন এবং চরজব্বর থানায় ৩২ জনকে আটক করে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।

অভিযান অব্যাহত থাকবে

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু তৈয়ব মো. আরিফ হোসেন বলেন, কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা ও অপরাধপ্রবণতা প্রতিরোধে পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে। পাশাপাশি কিশোরদের সুস্থ ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে অভিভাবক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও সমাজের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সম্পৃক্ত করে জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad