জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. খালিদ হোসেন শিমুলের নেতৃত্বে অভিযানে জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ, এসআরবি ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যরা অংশ নেন।
অবৈধ বালু উত্তোলনের স্থান পরিদর্শন, বাড়িতে তল্লাশি
অভিযানসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে রায়পুরার মেঘনা নদীতে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে কয়েকটি চক্র। এসব কর্মকাণ্ড বন্ধে এর আগে প্রশাসনের অভিযান চালানোর সময় হামলা ও গুলিবর্ষণের ঘটনাও ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
শনিবারের অভিযানে যৌথ বাহিনী নদীতে বালু উত্তোলনের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে। পাশাপাশি অবৈধ বালু উত্তোলন ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সন্দেহে ব্যক্তিদের খুঁজতে চরমধুয়া, নিলক্ষা ও বাঁশগাড়ি চরাঞ্চলের বিভিন্ন বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়।
অভিযানে রায়পুরা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বায়েজিদ বিন মনসুর, রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মজিবুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট বাহিনীর সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
আতঙ্কে বন্ধ দোকানপাট, তালাবদ্ধ বাড়িঘর
প্রতিবেদন অনুযায়ী, যৌথ বাহিনীর উপস্থিতির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর চরাঞ্চলগুলোতে থমথমে পরিস্থিতি তৈরি হয়। অনেক বাড়িঘর তালাবদ্ধ পাওয়া যায়। নারী ও শিশুদের দেখা গেলেও অধিকাংশ এলাকায় পুরুষদের উপস্থিতি ছিল না। বন্ধ ছিল দোকানপাটও।
তবে অভিযানে কতজনকে আটক করা হয়েছে বা অবৈধ বালু উত্তোলনে ব্যবহৃত কোনো যন্ত্রপাতি জব্দ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে প্রতিবেদনে নির্দিষ্ট তথ্য দেওয়া হয়নি।
অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মেঘনা নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন এবং চরাঞ্চলে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বন্ধে এ ধরনের যৌথ অভিযান অব্যাহত থাকবে। সন্দেহভাজনদের গ্রেপ্তারে প্রয়োজনে রাতেও অভিযান চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক