ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয়ের সচিবের রুটিন দায়িত্বে থাকা এ এইচ এম কামরুজ্জামান এবং যুগ্মসচিব মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় হাফেজ হীরার উস্তাদ ও মারকাজু ফয়জিল কুরআন আল ইসলামিয়ার মুহতামিম মুফতি মুরতাজা ফয়েজী মাসুম এবং বিশিষ্ট আলেম মাওলানা সালেহ আহমদও উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তাঁকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
বিমানবন্দরে শত শত মানুষের উপস্থিতিহাফেজ হীরাকে বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে সমবেত হন শত শত ধর্মপ্রাণ মুসল্লি, আলেম-উলামা ও বিভিন্ন মাদ্রাসার শিক্ষার্থী। তাঁর এ অর্জনকে বাংলাদেশের কুরআন শিক্ষার জন্য গৌরবজনক সাফল্য হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
গত ৬ থেকে ১০ অক্টোবর কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত এ আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন হীরা। তাঁর এ সাফল্য কুরআন হিফজ ও তিলাওয়াতচর্চায় নিয়োজিত শিক্ষার্থী, শিক্ষক এবং সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে বলে আশা করা হচ্ছে।
সংবর্ধনার ব্যবস্থা নেয় ধর্ম মন্ত্রণালয়ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন-১ শাখা থেকে ১১ অক্টোবর জারি করা নির্দেশনায় হাফেজ হীরার দেশে প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিমানবন্দরে সংবর্ধনার ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়। পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের উপস্থিতি ও বিমানবন্দরে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব দেওয়া হয়।
কুরআন মুখস্থ করা, শুদ্ধভাবে তিলাওয়াত করা এবং দীর্ঘদিনের অনুশীলনের মাধ্যমে দক্ষতা অর্জনের স্বীকৃতি হিসেবে হাফেজ হীরার এ সাফল্য বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের একজন হাফেজের প্রথম স্থান অর্জন দেশের কুরআন শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানগুলোর অবদানকেও তুলে ধরেছে।
সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ ধরনের আন্তর্জাতিক সাফল্য তরুণ প্রজন্মের মধ্যে কুরআন শিক্ষার আগ্রহ বাড়াবে এবং মেধাবী হাফেজদের আরও বড় পরিসরে নিজেদের যোগ্যতা তুলে ধরতে উৎসাহিত করবে।
তথ্যসূত্র: দৈনিক যুগান্তর, ১২ অক্টোবর ২০২৬। প্রতিবেদন: ‘বিশ্ব হিফজুল কুরআন প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হাফেজ হীরাকে সংবর্ধনা’।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক