সোমবার (১২ অক্টোবর) বিকেলে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও ফ্লাইট ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তা স্কোয়াড্রন লিডার সাকিব এ তথ্য জানান।
সরাসরি ও ট্রানজিট ফ্লাইটে বিপর্যয়বিমানবন্দর-সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বাতিল হওয়া ফ্লাইটের মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট ১২টি। এর মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের চারটি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের তিনটি এবং রিয়াদ এয়ারের তিনটি ফ্লাইট রয়েছে।
এ ছাড়া ট্রানজিট ফ্লাইট বাতিল হয়েছে ৩৯টি। এর মধ্যে ইন্ডিগোর ১৬টি, সালামএয়ারের তিনটি, ইজিপ্টএয়ারের একটি, এমিরেটসের নয়টি, কাতার এয়ারওয়েজের পাঁচটি এবং ফ্লাইদুবাইয়ের পাঁচটি ফ্লাইট রয়েছে।
ফ্লাইট বাতিলের কারণে যাত্রীরা ভোগান্তিতে পড়েছেন। বিশেষ করে যাঁদের নির্ধারিত সময়ে সৌদি আরবে পৌঁছানোর কথা ছিল, তাঁদের যাত্রা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
রিয়াদ বিমানবন্দরে হামলায় হতাহতপ্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ৩ নম্বর টার্মিনালে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ঘটনা ঘটে। এতে দুই বাংলাদেশিসহ ১৩ জন নিহত এবং ৩০৮ জন আহত হন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিহত ব্যক্তিদের মধ্যে সৌদি আরবের চারজন এবং ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, জর্ডান, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, সুদান ও মিসরের একজন করে নাগরিক রয়েছেন বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।
এরপর রোববার একই বিমানবন্দরে আবারও হামলার ঘটনা ঘটে। এতে এক পাকিস্তানি প্রবাসী নিহত এবং ১১ জন আহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ পরিস্থিতিতে ঢাকা থেকে সৌদি আরবগামী ফ্লাইট চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর যাত্রীদের পরবর্তী যাত্রার সময়সূচি সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইনসের কাছ থেকে হালনাগাদ তথ্য নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

প্রথম দর্পণ,জাতীয় ডেস্ক