রিজভী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধ শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়। সরকার, স্থানীয় প্রশাসন, রাজনৈতিক দল, চিকিৎসক, শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষকে সম্মিলিতভাবে এ কাজে এগিয়ে আসতে হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করা গেলে ডেঙ্গুর বিস্তার অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
তিনি বলেন, ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। জ্বর হলে নিজে নিজে ওষুধ সেবন না করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা গ্রহণ করতে হবে। ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি সামাজিক উদ্যোগও ডেঙ্গু প্রতিরোধে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মানুষের জীবন রক্ষায় এ ধরনের জনসচেতনতামূলক কর্মসূচি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, চট্টগ্রাম-৮ আসনের সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় চমেক হাসপাতালের আশপাশের দোকানদার, পথচারী, রোগীর স্বজন ও সাধারণ মানুষের মধ্যে লিফলেট বিতরণ করা হয়। লিফলেটে বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখা, কোথাও পানি জমতে না দেওয়া এবং এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের বিষয়ে সচেতনতামূলক বার্তা তুলে ধরা হয়।
কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি জানান, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডেঙ্গু রোগী ভর্তির সংখ্যা আগের তুলনায় কমেছে।
তিনি বলেন, চট্টগ্রামে পরিবেশবান্ধব বিটিআই প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ঢাকার তুলনায় ডেঙ্গু সংক্রমণের হার ও মৃত্যুর সংখ্যা কম। এ ছাড়া ডেঙ্গু সেলগুলোতে বিনা মূল্যে এনএস-১ অ্যান্টিজেন ও সিবিসি পরীক্ষা, প্রতিটি শয্যায় মশারির ব্যবস্থা এবং পর্যাপ্ত ওষুধের মজুত রাখা হয়েছে।

প্রথম দর্পণ,ডেস্ক